অভয়নগর থানায় মামলা হলেও অস্ত্রসহ গডফাদাররা রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে

# গুলি ও ককটেল ফাটিয়ে ডাকাতির চেষ্টা #
দিঘলিয়া প্রতিনিধি ঃ যশোরের অভয়নগর থানার সিদ্দিপাশা এলাকায় একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ও গুলি চালিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে জনৈক ব্যাংক গ্রাহকের নিকট থেকে টাকা ছিনতাইকালে চিৎকার শুনে জনতা দুর্বৃত্তদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা বিক্ষুব্ধভাবে ছুটে পালায়। দুইজন মজুূদখালী নদীতে ঝাপ দিয়ে দিঘলিয়ার নন্দনপ্রতাপ কূলে উঠলে লোকজন তাদের ধাওয়া করে। এ সময় তারা গুলি করে এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালাতে চেষ্টা করে। এ সময় গ্রামবাসী একজনকে আটক করে এবং অপর একজন পালিয়ে যায়। ঘটনা ঘটেছিল গত ২৫ জানুয়ারি বিকালে। তিনি ঐদিন রাতেই যশোরের অভয়নগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এ মামলার বাদী খুলনা নগরীর খানজাহান আলী থানার শিরোমনি গ্রামের বাসিন্দা আবু ইউসুফের পুত্র শরিফুল ইসলাম। এদিকে অভয়নগর থানার এসআই জাহিদ ও এএসআই মাহবুব পরদিন অর্থাৎ ২৬ জানুয়ারি সকালে গ্রেফতারকৃত আসামীকে আটক অবস্থায় গ্রহণ করার জন্য দিঘলিয়া থানায় আসেন। তাদের এ থানায় আগমনের পূর্বে উক্ত আসামীর ব্যাপারে দিঘলিয়া থানায় জিডি করেন এবং আসামীকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
এদিকে দিঘলিয়া থানায় গ্রেফতারকৃত খালিদ গাজীকে উক্ত মামলার আসামী হিসেবে অভয়নগর থানা গ্রহণ করে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অপর একজন আসামীকে গ্রেফতার করলেও দুর্বৃত্তায়নে ব্যবহৃত ককটেল ও অস্ত্র উদ্ধার এবং অন্যান্য অপরাধীসহ পর্দার আড়ালে থাকা গডফাদারদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
এক সূত্র থেকে জানা গেছে, এ ঘটনায় দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর ও লাখোহাটি গ্রামের একটা মহল প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত আছে। যা তদন্ত হলে শণাক্ত হতে পারে এমনটাই জানিয়েছেন এলাকার বিজ্ঞমহল। ঘটনার পর এখনও জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আগ্রগামী অবস্থা জানার জন্য অভয়নগর থানা অফিসার ইনচার্জ এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।



