দিঘলিয়ায় তিন ভ্যান চোরকে গণধোলাই : পুলিশের ঘটনাস্থল পরিদর্শন

দিঘলিয়া প্রতিনিধিঃ
দিঘলিয়ায় ভ্যান চুরির সময় তিন যুবক জনতার হাতে ধৃত হয়। গণপিটুনির পর তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার সন্ধ্যায় খুলনার চন্দনীমহল এলাকায় এক দুঃসাহসিক ভ্যান চুরির ঘটনায় তিন যুবককে হাতেনাতে আটক করে গণপিটনী দেয়। পরে লোকজন তাদের উদ্ধার করে দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। গত বুধবার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় চুরির কিছু সময় পরেই ভ্যানসহ তাদের আটক করা হয়।
ভুক্তভোগী ভ্যান চালক নান্নু মল্লিক জানান, ওইদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি চন্দনীমহল এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে অর্থাৎ রকিব মল্লিকের পুকুর পাড় সংলগ্ন স্থানে ভ্যানটি রেখে ভেতরে যান। এর কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে দেখেন তার আয়ের একমাত্র উৎস ভ্যানটি সেখানে নেই। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন দ্রুত জড়ো হয়ে বিভিন্ন দিকে চোরদের খুঁজতে শুরু করেন। খোঁজাখুজির একপর্যায়ে মল্লিকপুর ঘাট এলাকায় চুরি হওয়া ভ্যানসহ তিনজনকে পালিয়ে যেতে দেখে স্থানীয়রা তাদের আটক করেন। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাদের গণপিটুনি দেয়। লোকজন তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। বর্তমানে আটককৃতরা দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পুলিশি হেফাজতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আটককৃত অভিযুক্তরা হলো খালিশপুর হার্ডবোর্ড খেয়াঘাট এলাকার হাসান খানের পুত্র মোঃ ইব্রাহিম হোসেন বাবুল (২৫), যশোরের গদখালী গ্রামের বিধান বিশ্বাসের পুত্র মিঠু বিশ্বাস (৩০) এবং খালিশপুর গাবতলা এলাকার মৃত মৃত্যুঞ্জয়ের পুত্র বাঁধন (২৫)।
তাদের স্বীকারোক্তিতে জানা যায়, এলাকার একটা সংঘবদ্ধ চোর চক্র এ ভ্যান চুরি ঘটনার সাথে জড়িত। দিঘলিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম এ প্রতিবেদককে জানান, পুলিশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়েছে। লোকজন তাদের মারধর করেছে। তাদের অবস্থা খুব খারাপ। চিকিৎসা চলছে। তদন্ত কাজ শুরু হয়েছে। প্রকৃত ঘটনার সাথে জড়িত সকল অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।



