জনগণ দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের লাল কার্ড দেখাবে : মিয়া গোলাম পরওয়ার

ফুলতলা প্রতিনিধি ঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল, খুলনা-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর ধরে যারা ক্ষমতায় এসেছে, তারা বারবার দুর্নীতি, দলীয়করণ, অর্থ পাচার, চাঁদাবাজি এবং সহিংসতায় জড়িয়ে পড়েছে। তাদেরকে জনগন আর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় দেখতে চায়না। এখন সবাই পরিবর্তন চায়। বাংলাদেশের আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন একটি রাজনৈতিক পরিবর্তনের নির্বাচন। রাজধানী ঢাকা, ঢাকার বাইরে প্রত্যেকটি শহর, গ্রাম ও বন্দরে এই পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। ফুলতলার লক্ষ লক্ষ মানুষ দাঁড়িপাল্লা মার্কাকে বিজয়ী করার জন্য মুখিয়ে আছে। জুলাই অভ্যুত্থানের পর সহস্রাধিক মানুষ নিহত এবং প্রায় ৪০ হাজার ছাত্র, শিশু, নারীসহ সাধারণ মানুষ ক্ষতবিক্ষত হয়েছেন। তাদের আন্দোলনের মূলনীতি অনুসারে ২৪ জুলাই দেশের ১৮ কোটি মানুষ নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিল। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে শিরোমনি কেডিএ মার্কেট চত্বরে ফুলতলা উপজেলার খানজাহানআলী থানা জামায়াতের উদ্যেগে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। থানা আমীর সৈয়দ হাসান মাহমুদ টিটোর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন ডাকসু জিএস এস. এম. ফরহাদ, এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) ডা. মাহমুদা মিতু। সেক্রেটারী গাজী মোর্শেদ মামুনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন জেলা জামায়াতের সেক্রটারী মুন্সি মিজানুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মুন্সি মঈনুল ইসলাম, অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, অধ্যক্ষ গাওসুল আজম হাদী, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য হাফেজ আমিনুল ইসলাম, শেখ সিরাজুল ইসলাম, এ্যাড. আবু ইউসুফ মোল্যা, বিএল কলেজের সাবেক ভিপি এ্যাড. শেখ জাকিরুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা শেখ গোলাম কিবরিয়া মিন্টু, জেলা শিবির সভাপতি আবু ইউসুফ ফকির, ফুলতলা খেলাফত মজলিশের সভাপতি সরদার জালাল উদ্দিন, বাংলাদেশ খেলাফাত মজলিশের জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা ওমর ফারুক, শ্রমিক নেতা মোঃ মোজাম্মেল হক, ইউপি সদস্য হাফেজ গোলাম মোস্তফা প্রমুখ। জনসভায় অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার ফুলতলা-ডুমুরিয়ার উন্নয়নে পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বলেন, বিল ডাকাতিয়ার জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, বন্ধকৃত বেসরকারি মিল কলকারখানা চালু ও আধুনিকায়ন, তরুন প্রজন্মেও জন্য ফ্রিল্যান্সিং ব্যবস্থা, দক্ষ করে গড়ে তোলারজন্য কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র, ফুলতলা ও ডুমুরিয়ার দু’টি মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ, ফুলতলার শিকিরহাটে ভৈরব নদীতে ব্রিজ নির্মাণ, কৃষকদের সবজি ও মাছ সংরক্ষণের জন্য হিমাগার নির্মান, ফুলতলা থেকে শাহাপুর হয়ে দৌলতপুর পর্যন্ত রাস্তা দুই লেনে উন্নিত, দুটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০০ শয্যায় উন্নীত, আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহারের মাধ্যমে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি, ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে নাগরিক এবং পাঁচ বছরের নিচের শিশুদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা, গর্ভবতী মহিলাদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা, সুদমুক্ত ও যাকাতভিত্তিক অর্থ ব্যবস্থা চালু করা হবে।



