দৌলতপুর কুলিবাগানে দু’ কলোনীর বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ : আহত ১৫

স্টাফ রিপোর্টার : তুচ্ছ ঘটনায় দৌলতপুর কুলিবাগান এলাকায় দু’ কলোনীর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শিশু ও নারী-পুরুষসহ অন্তত ১৫জন আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশেরও কয়েকজন সদস্য সামান্য আহত হন। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে খুলনা-যশোর মহাসড়ক (ওয়ার্ড বিএনপি অফিসের সামনে) ইস্পাহানী কলোনি (কুলি বাগান) ও রেল-কলোনী- হেলালের বাগানবাসীর মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।
রেল-কলোনী- হেলালের কলোনীর অজ্ঞাত ব্যক্তিদের ছোড়া পাথরের আঘাতে কুলিবাগানের জসিম, রহিম, সজিব, ইমরান ও সিয়াম গুরুতর আহত হয়ে খুমেক হাসপাতালে ভর্তি হয়। এছাড়া শাহাবুদ্দিনের ছেলে শান্তসহ ৮ থেকে ১০ জন আহত ও জখম অবস্থায় চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে আসে বলে জানা গেছে। এছাড়া হেলালের বাগানে কয়েকজন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিএনপির ৩নং ওয়ার্ড কুলিবাগান ইউনিট কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীন সরদার জানান, খুলনা-৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল শুক্রবার রাতে তাদের এলাকায় শুভেচ্ছা বিনিময় করতে যান। কিন্তু তিনি যাওয়ার আগেই হেলালের বাগান কলোনীর লোকজন তাকে আগে ফুল দেওয়ার জন্য মেইন রোড আটকে অবস্থান নেয়। এ সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে- উল্লেখ করে তাদের রাস্তা ছেড়ে দাঁড়াতে বলায় তারা ক্ষিপ্ত হয়। পরে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সংসদ সদস্য চলে যাওয়া মাত্রই তারা হামলা চালায়। হামলায় তাদের ১১জন আহত হয়। হামলায় জামাল, বেল্লাল, মিলন, পান্না, কালা, তানজিল, রিয়াজ, রাসেল, মিলন-২, আইয়ূব আলী, মিজান ও হাকিমসহ অনেকেই অংশ নেয়। এমনকি তারা প্রাইভেট পড়তে যাওয়া অষ্টম শ্রেণির ছাত্র সিয়ামকে প্রচন্ড মারধর করে রেল লাইন দিয়ে টেনে নিয়ে যায়। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। পাথর দিয়ে মারে, পা দিয়ে পাড়ায়।
তবে এ বিষয়ে জানতে হেলালের কলোনীর নেতা মিলনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, দু’ পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়েছে। কয়েকজন আহত হয়েছে। তবে, থানায় কেউ অভিযোগ দায়ের করেনি।

