১১-দলীয় নির্বাচনীয় ঐক্যসহ ভিন্ন মতের রাজনৈতিক সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনায় দোষীদের গ্রেফতার করে শাস্তি দিতে হবে : মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান

# নির্বাচন পরবর্তী জামায়াতে ইসলামী কর্মী সমাবেশ #
স্টাফ রিপোর্টার ঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেছেন, নির্বাচনের ফল নিয়ে অনেকেই কষ্ট পেয়েছেন ও হতাশ হয়েছেন, তবে আপনাদের প্রচেষ্টা বৃথা যায়নি। দলের আসন প্রায় চারগুণ বেড়েছে এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে অন্যতম শক্তিশালী বিরোধী শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। তাই এটিকে পরাজয় নয়, বরং একটি ভিত্তি হিসেবে দেখতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, অনেকে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে ভয়ভীতি ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। তাদের সাহস দেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতের সমর্থক, ১১-দলীয় জোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী এমনকি বিএনপির মতের সঙ্গে ভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থান থাকার কারণে অনেকে হামলার শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার ঘোষণা দেন। তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানান। প্রতিটি ঘটনা নথিভুক্ত করে যথাযথভাবে তদন্তের ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে খুলনা মহানগরীর খালিশপুর থানাধীন বিআইডিসি রোডে অবস্থিত শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন মহানগরী কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে খুলনা-৩ আসনের নির্বাচন পরবর্তী ভোট কেন্দ্র পরিচালক ও ভোট কেন্দ্রের প্রধান এজেন্ট কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।
খুলনা মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মহানগরী সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফারাজীর পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাস্টার শফিকুল আলম, খালিশপুর থানা আমীর মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন, দৌলতপুর থানা আমীর মুশাররফ আনসারী, আড়ংঘাটা থানা আমীর নিয়াজ আনসারী, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মহানগরী সাধারণ সম্পাদক ডা. সাইফুজ্জান, বি এল কলেজের সাবেক ভিপি মো. জাহাঙ্গীর কবির, বি এল কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা মুনসুর আলম চৌধুরী, ফিরোজ আহম্মাদ তুহিন, শ্রমিকনেতা শাহিনুল ইসলাম, মাহবুবুর রহমান জুনায়েদ,কামরুল ইসলাম প্রমুখ।
মাহফুজুর রহমান আরও বলেন, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য ইসলামী আন্দোলনকে শক্তিশালী করা অপরিহার্য। অন্যায়-অবিচার, দুঃশাসন ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। ইসলামি সমাজ ব্যবস্থা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন ও প্রকৃত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।



