স্থানীয় সংবাদ

রমজানের প্রথমেই উত্তপ্ত খেজুর, লেবু ও কলার বাজার

শেখ ফেরদৌস রহমান : শুরু হয়েছে মাহে রমজান মাস ধর্মপ্রাণ সকল মুসল্লিদের পবিত্র মাস। তবে, প্রতি বছর এই মাসকে সামনে রেখে বাজার উত্তপ্ত হয়। বাদ যায়নি এবছর তবে, গেল কয়েক বছরের তুলনায় এবছর যেন লাগামহীন খেজুর, কলা আর লেবুর বাজার। এই খবার গুলো মূলতঃ সারাদিন রোজা থাকার পর ইফতারীর সময়ে প্রয়োজন পড়ে এই খাবারের। এছাড়া খেজুর দিয়ে ইফতার করা মুল্লিদের জন্য সুন্নাত । পাশাপাশি লেবু দিয়ে শরবত তৈরি করে ইফতার পরিবেশন করলে শরিরে তৃপ্তি অনুভব মনে হয়। এছাড়া রাত্রে সেহরীসহ ইফতারে দুটি সময়ে কলা খুব গুরুত্বপূর্ণ। গতকাল নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে। দেশীয় লেবু সংকট আর থাকলেও ছোট কাগজী দেশীয় লেবু প্রতি পিচ বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা করে। এছাড়া এ্যালাচি জাতের লেবু বড় সাইজ ৮০ টাকা হালি, আর ছোট সাইজ এ্যালাচি লেবু প্রতি পিচ ১০ টাকা করে। এছাড়া কলা ছোট চাপা বা সবরি সহ অন্যান্য জাতের কলা ছোট সাইজ ৬ টাকা পিচ, আর মাঝারী সাইজ ৮ টাকা আর একটু বড় সাইজ দশ থেকে বারো টাকা করে। এছাড়া খেজুর যা খাবারে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বরই খেজুর প্রতি কেজি ৫৫০ – ৬০০ টাকা, জাহিদি খেজুরের দাম একটু কম প্রতি কেজি ২৫০ – ৩৫০ টাকা, মেডজুল দাম বেশি প্রতি কেজি ১,৩০০ – ১,৫০০ টাকা। এছাড়া কামরাঙ্গা মরিয়ম ৭০০ – ৭৫০ টাকা, গাছ পাকা মদিনা মরিয়ম খেজুর প্রতি কেজি ৫৫০ – ৬৫০ টাকা, ইরানি মরিয়ম খেজুর প্রতি কেজি ১,১০০ – ১,২০০ টাকা, সুক্কারি খেজুর প্রতি কেজি ৭০০-৮০০ টাকা, মাবরুম খেজুর প্রতি কেজি ৮০০ – ৯০০ টাকা, সাফাভি খেজুর প্রতি কেজি ৮০০ – ৮৫০ টাকা, খুরমা খেজুর প্রতি কেজি ৩০০ – ৪৫০ টাকা।তবে, খুছরা ব্যবসায়িরা বলছেন আমরা পাইকারী বাজার থেকে চড়া দামে ক্রয় করছি। এছাড়া চাহিদার তুলনায় সরবারাহ কম থাকায় আমরা বাধ্য হয়ে বেশি দামে ক্রয় করছি। এ বিষয়ে কথা বেসর কারী চাকুরীজিবী মোঃ শফির সাথে তিনি বলেন, রমজান অন্যান্য দেশে বাজার দর কম রাখৈ। তবে আমাদের দেশে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়িরা আছেন যারা অপেক্ষা থাকে রমজান মাস কখন শুরু হবে। তারা বাজার সিন্ডিকেট করে জরুরী খাদ্য দাম বেশি রাখে। ভোক্তা অধিকার অভিযান করে কিছু জরিমানা করে। যারা খুছরা ব্যবসায়ি তাদের। তারা মুল যে পাইকাড়ী বার সরবারহ কারীদের বিরুদ্ধে কোন অভিযান চোখে পড়েনা। আমি গতকাল চারটি এ্যল এলাচি লেবু ৮০ টাকা দরে কিনেছি বয়রা বাজার থেকে।বলতে পারেন আমরা সাধারণ ক্রেতারা একপ্রকার অসহায় বাজারের কাছে। এ বিষয়ে খুলনা জাতীয় ভোক্তঅধিকারের উপঃ পরিচালক মোঃ সেলিম বলেন নিয়মিত বাজার মনিটিরিং চলছে। আমরা কঠোর অবস্থানে আছি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button