স্থানীয় সংবাদ

দৌলতপুরে ইজিবাইক চালক রানা হত্যাকা-ের দুই আসামি গ্রেফতার

# আদালতে ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে হত্যার দায় স্বীকার
# বাকি আসামীদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ

স্টাফ রিপোর্টার : খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর থানাধীন মানিকতলা মেইনরোড এলাকার বাসিন্দা নিহত ভিকটিম ইজিবাইক চালক মোঃ রানা হাওলাদার (২৪) হত্যাকা-ে জড়িত দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে দৌলতপুর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ ওই দুই আসামীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন – দৌলতপুরস্থ মহেশ্বরপাশা মানিকতলা বেল্লাল মাঝির বাসার ভাড়াটিয়া রফিকুল হাওলাদারের পুত্র মোঃ মেহেদী হাসান রাব্বি (২২) ও মানিকতলা সিএসডি গোডাউন এর সামনের এলাকার বাসিন্দা মোঃ হারুন ফরাজীর পুত্র মোঃ মিরাজ ফরাজী (২০)। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে আসামীদ্বয় ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে হত্যার দায় স্বীকার করে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর থানাধীন মানিকতলা মেইনরোড এলাকার বাসিন্দা মিন্টু হাওলাদারের পুত্র
নিহত ভিকটিম ইজিবাইক চালক মোঃ রানা হাওলাদার (২৪) গত ১৫ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) দুপুরে ইজিবাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়, কিন্ত গভীর রাত হয়ে গেলেও বাড়ি ফিরে নাই। নিহত ভিকটিম মোঃ রানা হাওলাদার এর স্ত্রী দৌলতপুর থানায় একটি নিখোঁজ জিডি করেন (যার জিডি নং-৭৪০, তারিখ-১৮-২-২৬)। পরবর্তীতে থানা পুলিশ উক্ত জিডির ভিত্তিতে ভিকটিমকে খোঁজাখুজি করতে থাকে। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে গত ২০ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার ) দৌলতপুর থানাধীন রেলিগেট কৃষ্ণমোহন শ্মশাণ ঘাটে ভৈরব নদীর কিনারায় নিহত ভিকটিমের মৃতদেহ পাওয়া যায়। অজ্ঞাতনামা আসামীরা নিহত ভিকটিমকে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য নদীতে ফেলে দিয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে দৌলতপুর থানায় সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) একটি হত্যা মামলার রুজু করা হয় ( মামলা নং-০৭)। দৌলতপুর থানার এসআই মোঃ আল রাহাদ শেখ মামলার তদন্ত শুরু করেন। অবশেষে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে দৌলতপুর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে হত্যাকা-ে জড়িত ২ আসামিকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামিরা বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে হত্যার দায় স্বীকার করে।
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার অফিসার ওসি (তদন্ত) এএফএম জাহিদুল ইসলাম জানান, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আমরা আসামীদের সনাক্ত করি এবং ডিসি (উত্তর), এসি দৌলতপুর জোন, অফিসার ইনচার্জ, দৌলতপুর থানার দিক নির্দেশনায় মোতাবেক সঙ্গে অফিসারও ফোর্স নিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। আসামিদ্বয় বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে হত্যার দায় স্বীকার করে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে। এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ইজিবাইক চালক হত্যাকা-ের ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলার রুজু হয়। তদন্তের এক পর্যায়ে হত্যাকা-ে জড়িত ২ আসামীকে শন্নাক্ত করি এবং অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তার করি। আসামিদ্বয় বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে হত্যার দায় স্বীকার করে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button