দেশকে অশান্ত করতে আওয়ামী অপশক্তি নানান ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে : মাওলানা এমরান হুসাইন

# খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ বৈঠক #
খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা জেলা আমীর মাওলানা এমরান হুসাইন বলেছেন, দেশকে অশান্ত করতে আওয়ামী অপশক্তি নানান ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। জাতির ঐক্যের মাধ্যমে এটিকে প্রতিহত করতে হবে। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যায় দায়ীদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। জুলাই সনদ নিয়ে কোন টানবাহানা ছাত্র-জনতা মেনে নেবে না। তিনি বলেন, আল্লাহর রজ্জুকে ঐক্যবদ্ধভাবে ধারণ করে দ্বীনের দাওয়াত ও সমাজ সংস্কারের কাজে সকলকে আত্মনিয়োগ করতে হবে। তিনি আদর্শবান কর্মী গড়ে তোলার মাধ্যমে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীলদেরকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ টায় খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জেলা কর্মপরিষদ বৈঠকে সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।
খুলনা জেলা আমীর মাওলানা এমরান হুসাইন এর সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা গোলাম সরোয়ার, অধ্যক্ষ মাওলানা কবিরুল ইসলাম, জেলা সেক্রেটারি মুন্সী মিজানুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মুন্সী মঈনুল ইসলাম, অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস ও অধ্যক্ষ গাওসুল আযম হাদী, কর্মপরিষদ সদস্য মুহা. আমিনুল ইসলাম, অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা আল মুজাহিদ, এডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লা, এডভোকেট লিয়াকত আলী, মুহা. আশরাফুল আলম।
মাওলানা এমরান হুসাইন বলেন, নির্বাচনে জনগণের আকাঙ্খার প্রতিফলন হয়নি, শেখ হাসিনার পদাঙ্ক অনুসরণ করে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে। জনগণ জামায়াতে ইসলামীকে ক্ষমতায় দেখতে চেয়েছিল। ইসলামী মুলধারার সংগঠন হিসেবে জামায়াতকে বিরোধীদল হিসেবেই শুধু নয় বরং দায়িত্বশীল সংগঠন হিসেবে জন আকাঙ্খা পূরণে ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি বলেন, রমাদানকে টার্গেট করে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য গোদামজাত করে বাজারে সংকট সৃষ্টি করায় দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। যার কারণে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবার রমাদানে সাহরী ও ইফতার আয়োজনে হিমশিম খাচ্ছে। আমরা অবিলম্বে সরকারকে বাজার মনিটরিং জোরদার করে সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি। তিনি আরো বলেন, রমাদান মাসের পবিত্রতা ও ভাবগাম্ভীর্য রক্ষা করা প্রত্যেক ঈমানদারের দায়িত্ব। তাই সমাজে অশ্লীলতা, বেহায়াপনা, মদ- জুয়া ও অনৈতিক সকল কর্মকান্ড বন্ধ রাখতে হবে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। সর্বোপরি আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে মাহে রমাদানকে নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও পবিত্রতার আবহে অতিবাহিত করতে তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।



