খালিশপুরে মা শ্বাশুড়ী স্বামী-স্ত্রী জামাতা সবাই মাদক কারবারি ঃ মাদকের টাকায় গড়েছে অট্টালিকা

স্টাফ রিপোর্টারঃ নগরীর খালিশপুরে মা, শ্বাশুড়ী. স্বামী-স্ত্রী, জামাতা সবাই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। তারা কেউই ছোট মাদক কারবারি নয়। এক এক জন মাদকের বড় বড় ডিলার। এক এক জনের নামে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। মাদক ব্যবসা করেই গড়ে তুলেছেন অট্টালিকা। আ’লীগ আমলে তাদের দাপট ছিল সবচেয়ে বেশী। ওই সময় আ’লীগের মিছিল মিটিং-এর খরচের বড় অংশ যোগান দিত এই মাদক কারবারীরা। তাদের কারণে খালিশপুর হাইজং বাজার ১নং ক্যাম্পের সাধারণ মানুষ বড়ই অসহায় হয়ে পড়েছে। হাউজিং বালু মাঠ স্কুলের সামনেই বসে তারা দিন রাত মাদক বিক্রি করে। বিশেষ করে স্কুল ড্রেস পড়ে কিছু শিক্ষার্থীরা এ মাদক কিনতে আসে। তারা মাদক কিনে স্কুল ব্যাগে ভরে নিয়ে যায়। এছাড়া নানা শ্রেণীর মানুষ এ মাদকের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। পবিত্র রমজান মাসে তাদের মাদক বিক্রি যেন আরো বেড়েছে। মাদক কারবারীদের মধ্যে রয়েছে মা শাহজাদী(৫৮) মেয়ে আঞ্জুম (৪৫), আঞ্জুম-এর স্বামী সেলিম (৫৫) ও মেয়ে জামাই আলাউদ্দীন । এছাড়া তাদের কর্মচারি হিসেবে দু’জন মহিলা ও দু’ জন পুরুষ বিক্রেতা আছে। তারা সারা দিন মাদক বিক্রি করে। দিন শেষে তারা পকেট ভরে মাদক বিক্রির টাকা নিয়ে বাড়ি ফেলে। বিগত দিনে আ’লীগের রাজনীতির সাথে তারা সক্রিয় থাকলেও এখন তারা অন্য দল করে। হাউজিং এলাকা মাদকে সয়লাব করে ফেলেছে তারা। তারা ভাঙ্গাড়ির ও ময়লার ভিতর পোটলা রেখে দেয়। ক্রেতা আসলে সেখান থেকে বের করে মাদক দেয়। ওয়ার্ডের এক বহিস্কৃত বিএনপি নেতা এদের শেল্টার দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। যদিও ওই নেতার বহিস্কারাদেশ নির্বাচনের আগে প্রত্যাহার হয়েছে বলে দলীয় নেতারা জানান। প্রত্যক্ষদশীরা জানান, তারা এমন স্পটে মাদক বিক্রি করে চার চারদিকে গলি রয়েছে। আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা অভিযান আসলে তারা অন্য গলি দিয়ে পািয়ে যায়। গত কয়েক দিন আগে ডিবি পুলিশ অভিযান চালালেও মাদক কারবারী কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। নাম প্রকাশে একজন বিএনপি নেতা বলেন, পুলিশ চাইলে মাদক কারবারিদের গ্রেফতার করা ওয়ান টুর ব্যাপার। পুলিশই এসব মাদক কারবারিদের পুষে রাখে বলে তার অভিযোগ। খালিশপুর থানার ওসি তৌহিদুজ্জামান বলেন, এরা সবাই তালিকতাভুক্ত ও একাধিক মাদক মামলার আসামী। পুলিশ তাদের খুঁজছে। অভিযানে গেলে তাদের পাওয়া যায় না বলে ওসি জানান।



