নানা আয়োজনে খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালে পালিত হল বিশ্ব কিডনি দিবস

স্টাফ রিপোর্টার : “সুস্থ কিডনি সকলের তরে মানুষের যতেœ বাঁচাও ধরণীরে” এই স্লোগানকে সামনে রেখে খুলনা বিশেষায়িত হসপিটালে পালিত হল ২০ তম বিশ্ব কিডনি দিবস। গতকাল সকাল ৯টায় খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালে চত্বরে মানবদেহের কিডনি সচেতনতা ও করণীয় বিষয়ক রেলি ও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হয়। এসময় ডাক্তার উবায়দুল হকের সঞ্চালনা বক্তব্যে বলেন, সচেতনতা খাদ্যাভ্যাস জন্য খুবই জরুরী আমরা অসচেতনতা ও তেল জাতীয় খাবারের কারণে কিডনি রোগ আক্রান্ত হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ । ডা:আছাদুল রহমান বলেন, শরীরের ডায়াবেটিসের কারণে কিডনি ঝুঁকি বাড়তে পারে। পাশাপাশি শরীরের যদি ১৫ বা তার অধিক ডায়াবেটিসের মাত্রা থাকে আর যদি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ না রাখা হয়। সে ক্ষেত্রে কিডনির উপর তার প্রভাব পড়তে পারে।দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস থাকলে কিডনির ছোট রক্তনালীগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় এছাড়া কার্ডিওলজি বিভাগে প্রধান ডাক্তার ইকতিয়ার হোসেন বলেন, শরীরে পেশারের মাত্রা বেশি থাকলে কিডনি জনিত রোগের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এছাড়া ধুলাবালি শরীরে থাকলে আর সঠিকভাবে পরিষ্কার না করে খাবার খেলে কার্ডিয়াক সমস্যা মাধ্যমে কিডনি জনিত সমস্যা হতে পারে। তবে, বিষয়টি নিয়ে খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালে নেফ্রলজি বিভাগীয় প্রধান ডাক্তার এনামুল কবীর বলেন, আমাদের প্রতিদিন সকলের ৩০ মিনিট করে হাঁটা উচিত। আর আমাদের পরিবেশে চারপাশে প্রচুর পরিমাণে গাছ লাগানো উচিত। কিডনি আমাদের মানবদের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যা শরীরে পদার্থ ও অতিরিক্ত পানি ফিল্টার করে। যখন কিডনি ঠিকমতো কাজ করতে পারে না, তখন কিডনি রোগ হয়। কিডনি রোগ হওয়ার প্রধান কারণগুলো ডায়াবেটিস, দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস থাকলে কিডনির ছোট রক্তনালীগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া প্রতিদিন সকালে হাঁটা উচিত খাদ্য ক্ষেত্রে আমাদের সকল সচেতনতা হওয়া উচিত। এছাড়া এ রোগে আক্রান্ত হলে প্রচুর অর্থ প্রয়োজন পড়ে তবে, বিষয়টি নিয়ে খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালে পরিচালক ডাক্তার শেখ আবু শাহীন বলেন, বর্তমানে আমাদের দেশে প্রতিবছর ৫০ থেকে ৬০হাজার মানুষ কিডনি জনিত রোগ আক্রান্ত হচ্ছে।এর বিভিন্ন কারণ আছে অসচেতনতা এমনকি জন্মগত প্রসূতি মায়ের ক্ষেত্রে সম্ভাবনা থাকে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যথাজনিত কোন ওষুধ সেবন করলে সরাসরি কিডনির উপর প্রভাব ফেলে। পাশাপাশি কম পানি পান করা অতিরিক্ত লবণ খাওয়া সহ ধূমপান ও মাদক সেবকদের কিডনি জনিত রোগ আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া আমাদের প্রতি বছর অত্যন্ত একবার হলেও শারীর চেকআপ করা উচিত। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালটির নিউরোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডাঃ সাঈদুর রহমান, আর এম ও ডাক্তার প্রকাশ চন্দ্র দেবনাথ ও হাসপাতালটির ডেন্টাল সহকারী অধ্যাপক ডাক্তার আসমা জামান, ডাক্তার সাদিকুর রহমান রহমান, ডা: আবুল বাশার, ডাক্তার কল্প, ডেন্টাল টেকনিশিয়ান সুদেব, এছাড়া উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালটির নার্স কর্মকর্তা ও হাসপাতালটির কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দরা।



