স্থানীয় সংবাদ

ঈদে গরীবের গোস্ত সমিতির সুফল পেলো নি¤œ আয়ের মানুষ

শেখ ফেরদৌস রহমান ঃ আর মাত্র দুদিন পর পবিত্র ঈদ-উল ফিতর আর সেই আনন্দ ভাগাভাগি সকলের জন্য ।আর ঈদে একটু ভালো খাবার পরিবেশন জন্য গরুর গোস্ত সাথে থাকতে হবে। তবে বর্তমানে নি¤œ ও মধ্য আয়ের মানুষের কাছে গরুর গোস্ত কিনতে হলে প্রতি কেজি গুনতে হচ্ছে ৭৫০ টাকা প্রতি কেজি দরে। আর এই সামর্থ টুক অনেকের থাকেনা। যেকারণে বর্তমানে গ্রাম শহরে নি¤œ আয়ের মানুষেরা বছরে প্রতি সপ্তাহে বা মাসিক, একটি নির্ধারিত অর্থ জমা করে তারা শুরু করেছেন এই গোস্ত সমিতি।গতকাল দেখা যায় নগরীর রখালিশপুর থানাধীন গোয়ালখালী বাসস্টান্ড এলাকায় একটি বড় গরু জবাই হচ্ছে। আর পাশে সবাই অপেক্ষা করছে কার কতটুকু গোস্ত ভাগে পাবে। বিষয়টি নিয়ে গোস্ত সমিতির সদস্য মোঃ সাব্বির হোসেন বলেন,বর্তমানে এক কেজি গরুর গোস্ত ক্রয় করতে হলে ৭৫০ টাকা প্রতি কেজি। একটি পরিবারে সর্ব নিম্স দুই থেকে তিন কেজি বা তার উপরে চাহিদা থাকে। বছরে একটি দিন আসে ঈদ-উল ফিতর আর এই দিনে ছেলে মেয়ে পরিবারের সদস্য সহ আত্মীয় স্বজনদের জন্য একটু গরুর গোস্ত দিয়ে ভাত খাওয়ানোর প্রত্যাশা সকলে থাকে। তবে, আমরা নি¤œ আয়ের মানুষেরা এক সাথে হঠাৎ করে এই অর্থ যোগান দিতে হিমশিম খেতে হয়। যে কারণে স্থানীয় হোটেল ব্যবসায়ি নজরুল ভাই সহ আমরা মোট ২৫ জন সদস্য আছি। যারা প্রতি বছর ঈদের পর প্রতি সপ্তাহে ১৫০ টাকা করে জমা করেছি এতে করে বছর শেষে আমাদের জমা হয়েছে একজনের মোট ৭২০০ টাকা আমরা এই টাকা দিয়ে একটি গরু ক্রয় করেছি। আর এই গরু জবাই করার পর এই গোস্ত সমান ২৬ টি ভাগ হবে। ভাগে আট থেকে দশ কেজি পযন্ত গোস্ত পাওয়ার সম্ভনা আছে। পাশাপাশি গরুর মাথা, ভুড়ি সহ অন্যান অঙ্গ গুলো বিক্রি করে এই অর্থ ভাগ করে নেয়া হয়।আমাদের এই গোস্ত নিজেদের চাহিদা অনুযায়ী রেখে পরিবারের অন্য সদস্যদের দেয়া হবে।একই কথা বলেন, খালিশপুরে মোঃ নাহিদ তিনি বলেন, আমি গেল চার বছর যাবৎ মোট ৩০ জন্য সদস্য নিয়ে প্রতি সপ্তাহে ১০০ টাকা করে জমা রাখা হয় নির্ধারিত একজন ব্যাক্তির কাছে এই অর্থ প্রতি রমাজানের সবে কদরের দিনে আমরা একটি গরু ক্রয় করে জবাই করে গোস্ত ভাগাভাগি করি। এভাবে চলছে অনেকে এই গোস্ত সমিতিতে সদস্য হতে আগ্রহী প্রকাশ করে।আমরা প্রথমে ২০ জনের একটি সদস্য নিয়ে শুরু করেছিলাম এবছর আরও বেশ কয়েকজন বাড়তে পারে।তবে, বিষয়টি নিয়ে সচেতন নাগরীক মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, এধরনের একটি উদ্দ্যে খুব ভালো বিষয়। অনেক নি¤œ আয়ের মানুষেরা ঈদে অন্যান খরচ মিটিয়ে গরুর গোস্ত ক্রয় করতে হিমশিম খেয়ে যায়।অনেকের সামর্থ থাকেনা। এতে করে এই সমিতির মাধ্য মাসিক টাকা জমা রেখে বছর শেষে ঈদের সময়ে গোস্ত ভাগা-ভাগি করে নিতে পারে। এধরনের উদ্দ্যেগ বর্তমানে আমাদের দেশে বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায়। যে তারা সকলে মিলে এই গোস্ত সমিতি করে নিজেদের চাহিদা মেটাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button