দৌলতপুরে যুবদল নেতা রাশু প্রকাশ্যে গুলিতে নিহত: ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা বিএনপি নেতাদের

স্টাফ রিপোর্টার ঃ খুলনা নগরীর দৌলতপুরে যুবদল নেতা রাশিকুল ইসলাম রাসুকে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ এবং অবিলম্বে হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। নিহত রাশিকুল ইসলাম রাসু দৌলতপুর থানা বিএনপি নেতা শরিফুল আনামের ছেলে। তিনি দৌলতপুর থানা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। সোমবার (১৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দৌলতপুর কেডিএ কল্পতরু মার্কেটে তাঁর ইট-বালুর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে অবস্থানকালে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। তিনটি গুলির মধ্যে একটি তাঁর মাথার পেছনে বিদ্ধ হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে পথেই তাঁর মৃত্যু হয়।
এ নৃশংস হত্যাকা-ের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল এমপি, বিএনপির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল এমপি, খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, মাসুদ পারভেজ বাবু ও চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজসহ নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, দিনের আলোতে নগরীর ব্যস্ত এলাকায় একজন রাজনৈতিক নেতাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির বহিঃপ্রকাশ। এই ধরনের নৃশংস হত্যাকা- কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান। একই সাথে নিহতের পরিবারকে ধৈর্য্যধারণের আহবান জানিয়ে বলেন, খুলনার মাটিতেই খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে। পৃথক বিবৃতিতে একই দাবি জানিয়েছেন দৌলতপুর থানা বিএনপির সভাপতি মুর্শিদ কামাল ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ইমাম হোসেন। এর আগে ঘটনা শুনে বিএনপি মহানগরের শীর্ষ নেতাকর্মীরা রাসুর বাড়িতে ছুটে যান।


