ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া সংক্রমণ প্রতিরোধে নগরজুড়ে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত

খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশব্যাপী ঘোষিত “প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা দিবস” কর্মসূচির অংশ হিসেবে নগরজুড়ে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নির্দেশনায় গৃহীত এ কর্মসূচির আওতায় শনিবার থেকে নগরীর দৌলতপুর এলাকায় মশক নিধন ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর ৬নং ওয়ার্ডস্থ সরকারি হাস প্রজনন খামার এলাকায় উপস্থিত থেকে বিশেষ এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। কেসিসি’র কঞ্জারভেন্সী বিভাগ এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এ সময় স্থানীয় জনসাধারণ ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে কেসিসি প্রশাসক বলেন, এডিস মশা নির্মূল করতে না পারলে মশাবহিত রোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়বে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ জন্য মশার ডিমের উৎপত্তি স্থল ধ্বংস করার পরামর্শ দিয়েছেন। পর্যায়ক্রমে প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সম্মিলিতভাবে কাজ করলে খুলনাকে পরিচ্ছন্ন ও শান্তির শহর হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। পরিচ্ছন্ন খুলনা গড়ার ক্ষেত্রে তিনি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ নাগরিকবৃন্দের এগিয়ে আসার আহবান জানান এবং পরিচ্ছন্নতা কাজের সাথে সংশ্লিষ্টদের নিরলসভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন। অভিযানের আওতায় ড্রেন, নালা, আবর্জনার স্তূপ এবং মশার প্রজননস্থল হিসেবে পরিচিত ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পরিষ্কার করা হয়। উল্লেখ্য, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ মোকাবিলায় খুলনা সিটি কর্পোরেশন ইতোমধ্যে বিভিন্ন ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করেছে এবং নাগরিকদের সম্পৃক্ত করে টেকসই প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে। কেসিসি’র এই বিশেষ উদ্যোগের পাশাপাশি নিজ নিজ বাড়ির আঙ্গিনা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাসহ বাড়িতে থাকা ফুলের টব, ড্রাম, অব্যহৃত বালতি বা পরিত্যক্ত টায়ারে যেন পানি জমতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখার জন্য আহবান জানানো হয়েছে। কেসিসি’র প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মো: মাসুদ করিম, কঞ্জারভেন্সী অফিসার প্রকৌশলী মো: আনিসুর রহমান ও মো: অহিদুজ্জামান খান সহ ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পরে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু কুয়েট এ্যাপ্রোচ রোড ও নির্মাণাধীণ শলুয়া কম্পোস্ট প্লান্ট পরিদর্শন করেন।



