রূপসায় আপন ভাইয়ের বিরুদ্ধে আদালতে অর্থ আত্মসাৎত’র মামলা

# প্রতিকারের দাবি ভুক্তভোগীর
স্টাফ রিপোর্টার ঃ রূপসা উপজেলার নৈহাটী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক খালিদ সাইফুল্লাহ’র বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎতের মামলা দায়ের করেছেন তার আপন ভাই মো. মাসুম বিল্লাহ। খুলনার বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, রূপসা উপজেলার নৈহাটী ইউনিয়নের রহিমনগর ফরেষ্ট মাঠ এলাকার মো. সামছুল হকের ছেলে খালিদ সাইফুল্লাহ (৩২) একজন টকবাজ, প্রতারক ও আইন ভঙ্গকারী। মামলার বাদী এবং আসামী একে অপরের আপন সহদোর। আসামী সাইফুল্লাহ তার বাড়ি নির্মাণ করার কথা বলে ভাই মাসুমের নিকট হতে ৬ মাসের মধ্যে ফেরত দেওয়ার শর্তে ১৫ লাখ টাকা তার নিজ তহবিল ও অন্যান্য উৎস হতে ধারবাবদ নগদ প্রদান করে। পরে তার ভাই খালিদ সাইফুল্লাহ’র কাছে টাকা ফেরত চাইলে বাদীকে ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর ৩৫৪০১ এর অনুকূলে বাদীর নাম ও টাকার পরিমাণ ১৫ লাখ টাকা এবং আসামী স্বহস্তে তারিখ উল্লেখ করে বাদীকে আসামীর নিজ স্বাক্ষরিত একখানা চেক প্রদান করে। যার নম্বর ৯৫১৭২৯৮। পরে আসামীর কথামত ৬ মাস উত্তীন হওয়ার পর আসামীর নিকট বাদীর পাওনা বাবদ টাকা চাইলে আসামী বাদীকে নানা ভাবে ঘুরাতে থাকেন। একপর্যায়ে কোন উপায় না পেয়ে বাদী ২০২৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর আসামীর প্রদত্ত চেকটি নগদায়নের জন্য ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড খুলনা শাখায় জমা প্রদান করলে তা অপর্যাপ্ত তহবিল মর্মে প্রত্যাখাত হয়। বিষয়টি বাদী আসামীকে জানালে আসামী পুনরায় সু-কৌশলে এড়িয়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বাদী আসামী বরাবর গত ১ জুন একখানা লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেন। উক্ত নোটিশ আসামী ১ নভেম্বর প্রান্তী স্বীকার করে অদ্যবধি বাদির সহিত কোন মিট-মিমাংশা অথবা বাদীর পাওনাকৃত টাকা পরিশোধ না করার কারনে অত্র মামলা দায়ের করেন। দু-ভাইয়ের একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি মামলা এবং লিখিত অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। এব্যাপারে প্রতিপক্ষ নৈহাটী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক খালিদ সাইফুল্লাহ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার ভাই মাসুমের সব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। মাসুমের অত্যাচারে আজ আমি এলাকা ছেড়ে খুলনায় বসবাস করি। আমি এসব বানোয়াট পোপাগান্ডা ছড়ানোর বিষয়টি প্রতিকারের দাবি জানাই।#



