খুলনা ৩ এপিবিএন-এর সাফল্য : ৭০টি মোবাইল ও বিকাশের টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর

সাইফুল্লাহ তারেক ঃ ৩ এপিবিএন, খুলনার সাইবার ক্রাইম ইউনিটের বিশেষ অভিযানে উদ্ধার হওয়া ৭০টি স্মার্টফোন এবং বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ৬১,২৪০ টাকা প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার ৩ এপিবিএন-এর সদর দপ্তরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব সামগ্রী ও অর্থ হস্তান্তর করেন অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) এম, এম সালাহউদ্দীন। অধিনায়ক এম, এম সালাহউদ্দীন এর নির্দেশে এবং সহ অধিনায়ক (পুলিশ সুপার) জি. এম. আবুল কালাম আজাদ, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: মাহবুবুর রহমান ও সহকারী পুলিশ সুপার মো: আলী নওয়াজ-এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ৩ এপিবিএন-এর অপস এন্ড ইন্টেলিজেন্স শাখার সাইবার ক্রাইম ইউনিট এই সাফল্য অর্জন করে। মার্চ/২০২৬ মাসে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) মূলে এই মোবাইলগুলো উদ্ধার করা হয়। হস্তান্তর অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সাইবার ক্রাইম ইউনিট কেবল মোবাইল বা অর্থ উদ্ধারই নয়, বরং নাগরিক সেবায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। গত এক মাসে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৭০টি হারানো ও চুরি হওয়া মোবাইল। বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে খোয়ানো ৬১,২৪০ টাকা। জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ থেকে প্রাপ্ত ১২৫টি অভিযোগের সন্তোষজনক সমাধান। হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রাপ্ত ১৩৫টি অভিযোগের সমাধান।হ্যাক হওয়া একটি ফেসবুক আইডি পুনরুদ্ধার এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় এক ভিকটিম উদ্ধার। এছাড়াও বিভিন্ন অনলাইন প্রতারণা ও সাইবার বুলিংয়ের শিকার ব্যক্তিদের আইনি সেবা প্রদান করেছে এই ইউনিটটি। উদ্ধারকৃত সামগ্রী হস্তান্তরের সময় অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) এম, এম সালাহউদ্দীন বলেন, “৩ এপিবিএন-এর সাইবার ক্রাইম ইউনিট অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনসাধারণের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া এবং সহযোগিতা পেলে আমরা আরও বেশি ভুক্তভোগীকে আইনি সেবা প্রদান করতে সক্ষম হব। অনুষ্ঠানে মোবাইল ও টাকা ফিরে পেয়ে ভুক্তভোগীরা ৩ এপিবিএন-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।



