স্থানীয় সংবাদ

ভৈরব সেতুর সংযোগ সড়ক মহাসড়কে যুক্ত করতে সওজ প্রকৌশলীদের নতুন পরিকল্পনা

# মহাসড়কে ভবিষ্যতে যানজট নিরসনে নতুন নকশা
# সওজ প্রকৌশলীদের ভৈরব সেতু সরেজমিনে পরিদর্শন #

এম রুহুল আমীন : দৌলতপুরে ভৈরব নদীর উপরে নির্মানাধীণ সেতুতে উঠানামা করতে মহাসড়কের যানজট নিরসনের লক্ষে সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলীগণ ভৈরব সেতু সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। ভবিষ্যতে যখন মহাসড়কের সাথে ভৈরব সেতুর সংযোগ সড়ক যুক্ত হবে তখন যাতে যানজট সৃষ্টি না হয় তার উপরে নতুন করে পরিকল্পনা করে নকশা তৈরি করার লক্ষ্যে শুক্রবার সকালে ভৈরব সেতু ও সংযোগ সড়কের অধিগ্রহণকৃত জমি পরিদর্শন করেন সওজ ব্রিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের (বিএমডব্লিউ) অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শিশির কান্ত রাওত, ইন্ডিয়ান কনসালটেন্ট সন্দীপ নিয়োগী, সওজ খুলনা জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী জাকির হোসেন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, খুলনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ তানিমুল হক, ভৈরব সেতুর প্রকল্প ম্যানেজার, সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী নাজমুল হোসেনসহ সওজ’র কর্মচারীগণ। খুলনা নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ তানিমুল হক বলেন, ভৈরব সেতু নির্মাণ সম্পন্ন হলে সংযোগ সড়কটি মহাসড়কে এসে যুক্ত হবে। ভবিষ্যতে সেতুতে যাতায়াত করতে মহাসড়কে যেন উভয় প্রান্ত থেকে সহজে যাতায়াত করা যায় যানজটের সৃষ্টি না হয় সে কারণে সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলীগণ বিভিন্ন মতামত দেন ও পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে। যশোর মুখী ও খুলনামুখী যানবাহন চলাচলের সময় মহাসড়কে যানজট মুক্ত রাখতে দিকনির্দেশনা দেন। ভৈরব সেতুর মুল অংশের নতুন নকশা প্রায় ৯০ ভাগ সম্পন্ন হয়ে গেছে। তবে আমাদের পরিকল্পনা চুড়ান্ত করা হয়েছে ভৈরব সেতু নির্মানে নদীর ভিতরে কোন পিয়ার (কংক্রিট পিলার) বসানো হবে না। প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৪ মে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সেতুর দিঘলিয়া প্রান্তে সরকারি খাস জমির উপর ২৪ নং পিলারের টেস্ট পাইলিংয়ের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু করে ভৈরব সেতুর নির্মাণ কর্মযজ্ঞ। বর্তমান নকশা অনুযায়ী ভৈরব সেতুর পিলার বসবে মোট ২৮টি। এর মাধ্যমে সেতুর শহরাংশে কুলিবাগান হতে রেলিগেট ভৈরব নদীর তীর পর্যন্ত ১ থেকে ১৪ নং পিয়ার এবং সেতুর দিঘলিয়া প্রান্তে ১৭ থেকে ২৮ নং পিয়ার বসবে। ভৈরব সেতুর মোট দৈর্ঘ্য হবে ১ দশমিক ৩১৬ কিলোমিটার। সেতু নির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬১৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। এরমধ্যে মূল সেতু নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০৩ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button