প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে না পারলে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়-

# টেকসই উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন: তরুণ সংগঠকদের করণীয়’’ শীর্ষক কর্মশালায় বক্তারা #
খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ ইয়ুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস) ও সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)-টিআইবি, খুলনা এর আয়োজনে ১২ মে খুলনা নগরীর উমেশচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে ‘‘টেকসই উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন: তরুণ সংগঠকদের করণীয়’’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। সনাক সভাপতি অধ্যাপক রমা রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালাটি পরিচালনা করেন টিআইবি’র সিভিক এনগেজমেন্ট বিভাগের কো-অর্ডিনেটর কাজী শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করতে না পারলে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। আর আর সুশাসন নিশ্চিত করতে তরুণদেরকে সামনে থাকে নেতৃত্ব দিতে হবে, পাশাপাশি আইনের শাসন নিশ্চিত করাটা জরুরী’। তিনি কর্মশালায় প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনের মূল উপাদান ও বৈশিষ্ট সমূহ, চ্যালেঞ্জ, উত্তরণের উপায়, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট পরিচিতি, লক্ষ্যমাত্রাসমূহ, তথ্য অধিকার আইন ও প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন বিষয়সমূহ বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেন উপস্থাপন করেন। এক্ষেত্রে স্থানীয় তরুণ সংগঠনদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা অপরিসীম বলে মত প্রকাশ করেন। শুভেচ্ছা বক্তব্যে সনাক-খুলনা এর ইয়েস বিষয়ক আহবায়ক ও সদস্য অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির বলেন ‘ তারুন্যকে ধারণ করার মধ্য দিয়েই আমরা তরুণকে চিনি, এখানে উপস্থিত যে সকল তরুণ সংগঠনের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত হয়েছেন, তারা একটা ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে বলে আমি বিশ্বাস করি। আর তাই আমাদের প্রত্যাশা, তারা নিজেরা যেমন সুশাসনের চর্চা করবে, অন্যদিকে প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে টেকসই ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে অবদান রাখবে’। সভাপতি বক্তব্যে অধ্যাপক রমা রহমান বলেন, ‘ এই কর্মশালায় উপস্থিত তরুণদের দেখে আমি আশা ফিরে পাই, বিশ্বাস পাই, এই কারনে যে, তারা স্বেচ্ছাসেবার ভিত্তিতে সমাজের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে চলেছে, এক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকেও তারা সঙ্গে নিয়েছে। তিনি বলেন ‘ তোমরা সকল তরুণকে সাথে নিয়ে যদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে পার, তাহলে এই দেশ ভাল থাকবে, এদেশের মানুষ ভাল থাকবে’। তিনি কর্মশালায় উপস্থিত সবাইকে টিআইবি’র দুর্নীতিবিরোধী শপথ পাঠ করান। কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ উপস্থাপন এবং সঞ্চালনা করেন করেন টিআইবি’র সিভিক এনগেজমেন্ট বিভাগের এরিয়া কো-অর্ডিনেটর মোঃ আব্দুল্লাহ-আল-মামুন। কর্মশালায় খুলনা জেলার স্থানীয় ২১ টি সংগঠনের ৪৪ জন তরুণ প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। তরুণ সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ দুর্নীতি প্রতিরোধ, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় দলভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং তরুণদের সংগঠকদের প্রতিবন্ধকতাসমূহ এবং উত্তরণে করণীয় বিষয়সমূহ উপস্থাপন করেন।



