সাংবাদিক সাইফুল্লাহ তারেকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা এবং পুলিশ কর্তৃক তার কিশোর সন্তানকে তুলে নিয়ে হয়রানির তীব্র নিন্দা

# প্রতিবাদ বিএফইউজে-এমইউজে খুলনার #
খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ দৈনিক প্রবাহের স্টাফ রিপোর্টার সাইফুল্লাহ তারেককে গ্রেফতার করতে না পেরে তার কিশোর সন্তানকে পুলিশ কর্তৃক তুলে নিয়ে যাওয়া, পরিবারকে লাঞ্ছিত করা এবং অসৎ উদ্দেশ্যে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দায়েরের ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে ও মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে) খুলনার নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন-এমইউজে খুলনার সভাপতি মো. রাশিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রানাসহ নির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। অনুরূপ বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজের সহকারী মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন, সাবেক সহ-সভাপতি ড. মো. জাকির হোসেন, সাবেক নির্বাহী সদস্য শেখ দিদারুল আলম ও এইচ এম আলাউদ্দিন। এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, একজন পেশাদার সাংবাদিককে বাড়িতে না পেয়ে তার সপ্তম শ্রেণিতে পড়–য়া অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানকে তুলে নিয়ে ৫ ঘণ্টা আটক রাখা শিশু অধিকার, মানবাধিকার তথা প্রচলিত আইনের মারাত্মক লঙ্ঘণ। এর ওপর থানায় নিয়ে খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাশার কর্তৃক কিশোরটির সামনে তার বাবাকে নিয়ে গালাগাল ও হেনস্তার যে অভিযোগ উঠেছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন, এলাকায় মাদক নির্মূল ও পরিবেশ রক্ষায় সামাজিক আন্দোলনে সাংবাদিক সাইফুল্লাহ তারেকের ভূমিকার কারণে এবং স্থানীয় ওসির অনিয়ম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে পত্রিকায় সত্য সংবাদ প্রকাশের জের ধরেই এ প্রতিশোধ ও হয়রানিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তদন্ত ছাড়াই একজন পেশাদার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা রেকর্ড করা এবং পুলিশের এমন অতিউৎসাহী ভূমিকা স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর সরাসরি আঘাত। মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে অনতিবিলম্বে সাংবাদিক সাইফুল্লাহ তারেকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা ও কাল্পনিক মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানানো হচ্ছে। একই সাথে আইনের তোয়াক্কা না করে একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরকে বেআইনিভাবে তুলে নিয়ে হয়রানি এবং পরিবারের ওপর নির্যাতন চালানোর ঘটনায় জড়িত খানজাহান আলী থানার ওসিসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) কমিশনারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হচ্ছে।



