জাতীয় সংবাদ

প্রাথমিক শিক্ষকদের ‘গ্রেড’ নিয়ে সুখবর

প্রবাহ রিপোর্ট ঃ
১৩তম গ্রেডের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১১তম গ্রেডে করতে অর্থ মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বিকালে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।তিনি বলেন, ‘১৩তম গ্রেডে থাকা সরকারি প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকরা যাতে ১১তম গ্রেডের বেতন পান, সে জন্য চিঠি দিয়েছি।’ আন্দোলনের অংশ নেওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ফাতেমা আক্তারের মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশ করে তার পরিবারের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন উপদেষ্টা। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্দোলন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষকদের সংগঠনগুলোর মধ্যে ৯টি সংগঠন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে সন্তুষ্ট হয়েছে। তবে ভুঁইফোড় চারটি সংগঠনের সদস্যরা আন্দোলন করেছেন। তারা শিক্ষকদের ভুল বুঝিয়ে অযৌক্তিক আন্দোলনের ডাক দিয়ে ভোগান্তিতে ফেলেছেন।’ দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬৫ হাজার ৫০২ জন প্রধান শিক্ষকের বেতনস্কেল দশম গ্রেডে উন্নীত করার বিষয়ে চূড়ান্ত সম্মতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।
সোমবার (১০ নভেম্বর) অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন অনুবিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এতে সই করেছেন অর্থ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মাহবুবুল আলম।
সম্মতিপত্রে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের সম্মতির ভিত্তিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬৫ হাজার ৫০২ জন প্রধান শিক্ষককে বিদ্যমান ১১তম গ্রেড থেকে দশম গ্রেডে উন্নীতকরণে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে অর্থ বিভাগের সম্মতি প্রদান করা হলো।
নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী, প্রধান শিক্ষকদের বেতন হবে ১৬ হাজার থেকে ৩৮ হাজার ৬৪০ টাকা (গ্রেড-১০), যা পূর্বে ছিল ১২ হাজার ৫০০ থেকে ৩০ হাজার ২৩০ টাকা (গ্রেড-১১)। পদগুলো ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ অনুযায়ী পূরণযোগ্য থাকবে।
অর্থ বিভাগের নির্দেশনায় বলা হয়, পদোন্নীত বেতন গ্রেড কার্যকর করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গত ৭ অক্টোবরের স্মারক এবং ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের গত ২৮ জুলাইয়ের শর্তাবলি প্রতিপালন করতে হবে।
পাশাপাশি প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়কে পদ মঞ্জুরি আদেশ (জি.ও) জারি করে তা ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগে পৃষ্ঠাঙ্কন করাতে হবে। এছাড়া সব আনুষ্ঠানিকতা ও বিদ্যমান বিধি-বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button