জাতীয় সংবাদ

জামায়াত আমিরকে ভারতীয় দূতাবাস সাক্ষাতের অনুরোধ করে, দাবি তাহেরের

প্রবাহ রিপোর্ট : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির আমির ডা. শফিকুর রহমান অসুস্থ থাকাকালে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ চেয়ে ভারতীয় দূতাবাস থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছিল বলে দাবি করেছেন দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের। তিনি বলেন, অসুস্থ একজন মানুষকে দেখতে চাওয়ার অনুরোধে সম্মতি দেওয়া হলেও সেখানে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়নি। গতকাল বুধবার নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন জামায়াতের নায়েবে আমির। প্রতিটি নির্বাচনে একটি অভিযোগ উঠে আসে, বাংলাদেশের নির্বাচন বহির্শক্তির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত বা প্রভাবিত হয়। আগামী নির্বাচনে এ ধরনের প্রভাব আপনারা দেখছেন কি না এবং সম্প্রতি ভারতের সঙ্গে জামায়াতের কোনো বৈঠক হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে, এ বিষয়ে সাংবাদিকরা বক্তব্য জানতে চাইলে তাহের বলেন, আমাদের দেশে তো একটা ইনভলভমেন্টের চেষ্টা সবসময় হয়ে থাকে এবং সেটা খুব ভিজিবল হয় না। আমাদের কাছে এমন কোনো প্রুফ নাই। কিন্তু কালচারালি যেটা অতীতে আমরা দেখছি, সেরকম একটা সম্পর্ক থাকে। সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের আরও বলেন, ভারতের সঙ্গে জামায়াত আমিরের কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়নি। তিনি যখন অসুস্থ ছিলেন, তখন বহু দেশের রাষ্ট্রদূত তাকে দেখতে এসেছিলেন। ভারতীয় দূতাবাস থেকেও অনুরোধ করা হয়েছিল যে তারা জামায়াত আমিরকে দেখতে যাবেন, কারণ তিনি অসুস্থ। আমরা এটাতে একমত হয়েছি। এখানে অসুস্থ লোককে দেখার জন্য বাধার কিছু নাই। কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়নি। যারা এসেছিলেন তারা রিকোয়েস্ট করেছিলেন, এটা যেন পাবলিক না হয়। আমরা সেই রিকোয়েস্ট মেনটেন করেছি। অ্যান্ড নাথিং মোর দেন। নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, আমরা কথা বলেছি, যে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) যারা ভায়োলেট করবে, যেমন কোনো কোনো নেতৃবৃন্দ সফরের সংবাদ আমরা পাচ্ছি। তো সেখানে ২১ জানুয়ারির আগে তো ওইভাবে রাজনৈতিক সফর বা নিজের মার্কা নিয়ে সফর করার কোনো সুযোগ নাই। আমরা এসব ব্যাপারেও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। আমরা দেখি ইলেকশন কমিশন কী করে। সম্প্রতি জামায়াতের আমিরের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনের সাক্ষাতের বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button