ভারতে বাংলাদেশী মুসলিম নারীকে অপহরণ করে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা

দু’ হিন্দু যুবক গ্রেফতার
প্রবাহ রিপোর্ট : ভারতে বাংলাদেশী মুসলিম নারীকে অপহরণ করে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। নৃশংস এ ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের বিহার রাজ্যের মাধেপুরা জেলার মুরুলিগঞ্জ থানার অন্তর্গত ভৈরবপট্টি গ্রামের ত্রিশ বছর বয়সী এক বিধবা মুসলিম নারী হেনা পারভিনের সাথে। গত একবছর যাবত তার স্বামী মারা যাওয়ার পর দারিদ্র্য ফ্যামিলিতে দিনমজুরের মাধ্যমে ছয় সন্তানের দেখভাল তিনি নিজেই করে যাচ্ছিলেন। এই ত্রিশ বছর বয়সী এই মুসলিম নারীকে গত ৩ জানুয়ারী তার ঘর থেকে অপহরণ করে কুন্দন কুমার ও চন্দন কুমার নামক দুই হিন্দু যুবক। প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন ও ছয় সন্তানের খোঁজাখুঁজিতে গ্রামের মধ্যে একটি আলোড়ন সৃষ্টি হয়। ছোট ছোট ছয়টি শিশুর কান্না ও আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারি হয়ে যায়। শোকের মাতম নেমে পড়ে ভৈরবপট্টি গ্রামে। অবশেষে গত ৬ জানুয়ারি ভোরে তার বাড়ি থেকে পাঁচশ মিটার দূরে একটি কুঁড়েঘরে খড়কুটো দিয়ে মোড়ানো গলা কাটা অবস্থায় মুসলিম নারী হেনা পারভিনের লাশটি পাওয়া যায়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সর্বপ্রথম তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও বলাৎকার করা হয়েছে তারপর গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এমন একটি নৃশংস ঘটনায় গত তিন জানুয়ারীর পর তোলপাড় শুরু হলেও মেইন স্ট্রিম কোন মিডিয়া এ বিষয় নিয়ে কোনো খবর প্রকাশ করেনি। বাংলাদেশে হিন্দু সংক্রান্ত সাধারণ কোন ঘটনাকে কেন্দ্র করেই বাংলাদেশী ও ভারতীয় মিডিয়াগুলো তোলপাড় শুরু করে দেয়। কিন্তু এমন একটি ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরেও মেইনস্ট্রিম সকল মিডিয়াগুলো যেনো মুখে কুলুপ এঁটেছে। ধর্ষিতা যেহেতু মুসলিম নারী এজন্য এ নিয়ে কোনো কথাই বলা যাবে না। এখানে অপহরণকারী ও ধর্ষক খুনী যেহেতু কুন্দন ও চন্দন কুমার হিন্দু যুবক তাই এমন হাজারো অপরাধ বৈধতা পাবে চলমান দেশী ও বিদেশি অসংখ্য হলুদ মিডিয়াগুলোর কাছে। বাংলাদেশে ওসমান হাদির হত্যার বিচারহীনতার এক মাস পূর্ণ হয়ে গেলেও এর বিচার তো দূরের কথা মূল আসামীকে গ্রেফতার পর্যন্ত করতে পারেনি দিল্লির প্রশাসন।



