অটো জেনারেটেড নম্বর থেকে ফোন করে ডিসি-এসপিকে হুমকি: স্বরাষ্ট্র সচিব

প্রবাহ রিপোর্ট : বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারকে (এসপি) বিভিন্ন জায়গা থেকে ফোন করে হুমকি দেওয়ার ঘটনাটি অটো জেনারেটেড নম্বর থেকে সংঘটিত হওয়ায় ফোনদাতাকে শনাক্ত করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি। তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত আছি এবং এ নিয়ে আমরা সচেতন রয়েছি। একইসঙ্গে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাড়তি কোনো দুশ্চিন্তা নেই বলেও জানান তিনি। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। গত সোমবার বাগেরহাটের ডিসি ও এসপিকে ফোন করে হুমকি দেওয়ার বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র সচিব বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই এ ধরনের হুমকি অটো জেনারেটেড নম্বর থেকে আসে, যেগুলো শনাক্ত করা সম্ভব হয় না। তবে আমরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছি। র্যাবের গাড়ি কেনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে নাসিমুল গনি বলেন, আমরা সরকারের টাকা সরকারের ঘরেই রাখছি। প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ বাংলাদেশের প্রথম গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এবং এটি সরকারি মালিকানাধীন। সে কারণেই এখান থেকে গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের আগে এসব গাড়ি সরবরাহ করা হবে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এটি নির্বাচন উপলক্ষে নয়। আজ (গতকাল মঙ্গলবার) কেবল অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এখন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে যে সময় লাগবে, তাতে গাড়িগুলো আরও পরে আসবে। এগুলো পর্যায়ক্রমে সরবরাহ করা হবে। তিনি আরও বলেন, প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ অর্ডার পাওয়ার পর জাপান থেকে যন্ত্রাংশ আমদানি করবে। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো এত বড় নয় যে আগেভাগে যন্ত্রাংশ এনে মজুত করে রাখতে পারে। নির্বাচনের আগে রোহিঙ্গা ক্যাম্প সিলগালা করা হচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র সচিব বলেন, রোহিঙ্গারা কম্পাউন্ডের বাইরে যেতে পারবে না, এমন কিছু নয়। মানুষ তাদের জীবিকার প্রয়োজনে যাতায়াত করবে। এতে কোনো বাধা দেওয়া হচ্ছে না। নির্বাচন সামনে রেখে বাড়তি কোনো নিরাপত্তা দুশ্চিন্তা আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাড়তি কোনো দুশ্চিন্তা নেই। এখন তাদের কার্ড রয়েছে, স্ক্যান করে প্রবেশ করা হবে।
