বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১৫

প্রবাহ রিপোর্ট ঃ অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরধরে বরিশাল-৫ (সদর) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের সমর্থনে ২৪, ২৫, ২৬ নাম্বার ওয়ার্ড বিএনপির উঠান বৈঠকে হামলা ও সংঘর্ষে উভয়গ্রুপের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছে। গুরুত্বর আহত ২৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি গাফফার হাওলাদার ও টেম্পু শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক কাওসার ডাকুয়াকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তারা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন শিকদারের অনুসারী। অপরদিকে এ ঘটনায় পাল্টা অভিযোগ করেছে বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের অনুসারীরা। গতকাল সোমবার দুপুরে জিয়াউদ্দিন সিকদার জানান, মহানগর বিএনপি ৩০টি ওয়ার্ডের মধ্যে তিনটি করে ওয়ার্ডকে সমন্বয় করে নির্বাচনী উঠান বৈঠক করা হচ্ছে। যার ধারাবাহিকতায় ২৪, ২৫ ও ২৬ নাম্বার ওয়ার্ডের উঠান বৈঠক রূপাতলি হাউজিং এলাকায় কয়েকদিন আগেই শেষ হয়েছে। কিন্তু একটি পক্ষ গত রোববার সন্ধ্যায় পুনরায় ওই তিনটি ওয়ার্ডে উঠান বৈঠকের আয়োজন করলেও মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব হিসেবে তাকে বা সভাপতিকে কাউকে জানায়নি। উল্টো ওই এলাকার বাড়ৈ বাড়ির পাম্পের সামনে প্রচারনা চলাকালীন অবস্থায় বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে গুরুত্বর জখম করেছে। ২৫ নাম্বার ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক মোঃ দোলন জানিয়েছেন, তারা শুরুতে রূপাতলি এলাকায় উঠান বৈঠক করার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে জিয়াউদ্দিন শিকদারের লোকজন বাঁধা প্রদান করে ২৫ নাম্বার ওয়ার্ড শ্রমিক দলের সভাপতি রফিক খলিফাকে কুপিয়ে আহত করে। পরে ২৫ নাম্বার ওয়ার্ডের গুহ বাড়ির পোল সংলগ্ন এলাকায় উঠান বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠক চলাকালীন জিয়াউদ্দিন সিকদারের সমর্থক খোকন, গফফার, সমীর এবং সোহাগের নেতৃত্বে ৪০/৫০ জনে অর্তকিতভাবে হামলা চালালে উভয়গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এসময় হামলা ও সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১৫জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ ব্যাপারে ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, নিজেদের মধ্যে সামান্য বিষয় নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিলো। বিষয়টি সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মোঃ আল মামুন উল ইসলাম জানিয়েছেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনও কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



