ওসমান হাদির পরিবারকে ফ্ল্যাটের দলিল হস্তান্তর

প্রবাহ রিপোর্ট : শহীদ শরীফ ওসমান হাদির পরিবারকে একটি ফ্ল্যাটের দলিল ও চাবি হস্তান্তর করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। গতকাল মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শরীফ ওসমান হাদির স্ত্রী ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক রাজধানীর লালমাটিয়া এলাকায় এই রেডি ফ্ল্যাটের দলিল ও চাবি হস্তান্তর করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলাম এবং জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগম। প্রধান উপদেষ্টা জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ এ তথ্য জানান। এদিকে, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার সঠিক বিচার পাইয়ে দিতে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন ওসমান হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম সম্পা। ১০ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টা ০১ মিনিটে ফেসবুক পোস্টে তিনি এ কথা জানান। রাবেয়া ইসলাম সম্পা লিখেছেন, ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস স্যার আজকে তার বাসভবনে ফিরনাসকে এবং আমাকে তার সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য ডেকেছিলেন ১২টায়। সেই আসা হলো, মাঝখানে আমার ইনকিলাবের ভাইবোনগুলোকে নির্যাতনের শিকার হতে হলো।এতে স্পষ্ট বোঝা যায়, এক পক্ষ এখনও সরকারের মধ্যে যারা হাসিনার দোসর। তিনি লিখেছেন, ‘যা-ই হোক, আসার উদ্দেশ্য জানা ছিল না। পরে বুঝতে পেরেছি ফিরনাসের দেখাশোনার জন্য ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস স্যার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন; সেগুলোর কাগজপত্র হস্তান্তরের জন্য আমাদের আসতে বলা। আমি তাকে স্পষ্ট করে বলেছি, আপনি কি আমার স্বামীর বিচারের ব্যাপারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন? না হলে আমার ফিরনাস কোনো কিছুই গ্রহণ করবে না। তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেছেন যে, তার হাতে যত কিছু আছে, ইনফ্যাক্ট জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে যেভাবেই হোক এর সর্বশেষ পর্যন্ত সে যাবে হাদিকে সঠিক বিচার পাইয়ে দিতে। সম্পা লিখেছেন, আমার ভাইবোনগুলোর ওপরে যে হামলা করা হয়েছে, তাতেও তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। আমার জীবন, চাকরি এগুলোর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করাতে আমি বলে দিয়েছি যে, আমি আমার নিজের যোগ্যতা দিয়ে জব নেবো। আপনি ফিরনাসের জন্য করেছেন, অনেক শুকরিয়া। সবশেষে তিনি লিখেছেন, ‘তিনি পুরোপুরি আশ্বাস দিয়েছেন, তিনি আন্তর্জাতিকভাবে এই হত্যার তদন্তের ব্যাপারে সর্বোচ্চ সহায়তা করবেন। সেই আশ্বাস পেয়ে এরপরেই আমি ওখান থেকে এসেছি।



