প্রতিমন্ত্রীর শপথ নিলেন যারা

প্রবাহ রিপোর্ট ঃ তারেক রহমানের নেতৃত্বে শপথ নিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মন্ত্রিসভার মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার প্রতিমন্ত্রীরা শপথ নেন। এর আগে একই স্থানে শপথ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিএনপির মন্ত্রিসভার সদস্যরা। শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন- এম রশিদুজ্জমান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. শরিফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও ফরহাদ হোসেন আজাদ। এ ছাড়া আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, হাবিবুর রশীদ, মো. রাজীব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেইন, এম এ মুহিত, আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম শপথ নেন। শপথ অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, বিচারপতি, কূটনীতিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে বেলা পৌনে ১১টার দিকে সংসদ ভবনের শপথ গ্রহণ কক্ষে শপথ নেন সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিএনপির সংসদ সদস্যরা। তবে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি বিএনপির সদস্যরা। শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। পরে একই স্থানে শপথ নেন জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)সহ ১১ দলীয় জোটের সদস্য ও স্বতন্ত্র সদস্যরা। একই সঙ্গে ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ নেন। শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণ হলেও আদালতের নির্দেশনার কারণে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফল ঘোষণা করা হয়নি। নির্বাচনে ২৯৭ আসনের মধ্যে ২০৯টিতে জয় পেয়েছে বিএনপি। ফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও দলটির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। বিএনপির শরিকরা জয় পেয়েছে তিনটি আসনে। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী জয় পেয়েছে ৬৮টি আসনে। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্য শরিকরা পেয়েছে ৯টি আসন। এর মধ্যে এনসিপি ৬টি এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি আসনে বিজয়ী হয়েছে।
এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস একটি করে আসনে জয়ী হয়েছে। বাকি সাতটি আসনে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।



