বরিশালে ৫ হত্যাকা-: স্বজনদের রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি

প্রবাহ রিপোর্ট ঃ পাঁচ বছরের ব্যবধানে বরিশালের গৌরনদীতে চাঞ্চল্যকর পাঁচটি হত্যাকা-ের ঘটনা এখনও রহস্যময়। এ ঘটনায় পাঁচটি হত্যা মামলা দায়ের করা হলেও কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। পুলিশ জানাচ্ছে, রহস্য উদ্ঘাটন এবং আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সূত্র জানায়, ২০২০ সালের ১৯ আগস্ট গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর থেকে মো. মামুন রাঢ়ী নামে এক যুবক নিখোঁজ হন। আটদিন পর বার্থী ডিগ্রি কলেজের সামনের খাল থেকে তার ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়। মামলাটি প্রথমে গৌরনদী মডেল থানায় তদন্তের জন্য জমা দেওয়া হলেও হত্যার ক্লু উদ্ঘাটন করা যায়নি। পরে মামলা পিবিআইকে তদন্তের জন্য হস্তান্তর করা হয় এবং জেলা সিআইডি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সন্দেহভাজনদের সঙ্গে কথা বলেন। এ ছাড়া ২০২৪ সালের জুলাইয়ে খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের কমলাপুর গ্রামের পাটক্ষেতে এক অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। থানায় মামলা দায়ের করা হলেও ১৫ মাস পরেও পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। একই বছর আগস্টে রাশেদ সিকদারকে চাঁদার দাবিতে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। মামলায় পাঁচজন গ্রেপ্তার হলেও বর্তমানে তারা জামিনে রয়েছেন। ২০২৫ সালের ১৬ নভেম্বর গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের কমলাপুর গ্রামে আমিনুল ইসলাম হাওলাদার (৪২) নিহত হন। এ ঘটনায় এখনও কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। সর্বশেষ চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি রাত ১১টার দিকে গৌরনদী পৌরসভার নয় নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব কাসেমাবাদ এলাকায় ভ্যান চালক মঞ্জু বেপারীকে (৫০) নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। একজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তদন্তে কিছু পাওয়া যায়নি। গৌরনদী মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা এবং গৌরনদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, প্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের শনাক্তকরণ ও রহস্য উদ্ঘাটনের কাজ চলমান আছে। ক্লুলেস মামলাগুলোর তদন্তের জন্য সিআইডির কাছে আবেদন করা হয়েছে।



