আহলান সাহলান মাহে রমাদান

১৫ রমজানে কি কি করণীয়
রমজানে যে ৪ আমল করা জরুরি। রমজান মাস ত্রিশ দিনে সংক্ষিপ্ত, কিন্তু আত্মশুদ্ধি, ক্ষমা ও জান্নাতের পথে নিজেকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বিশেষ সময়। রমজানের দিনগুলো অতি দ্রুত ফুরিয়ে যায়। তাই এ মাসে জিহ্বাকে জিকিরে, অন্তরকে তওবায় এবং দোয়াগুলোকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও জান্নাতের প্রত্যাশায় ব্যস্ত রাখা প্রয়োজন। তাই কালিমা, ইস্তিগফার, জান্নাতের দোয়া ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির প্রার্থনাÍএই চারটি আমল রমজানে বান্দার আত্মাকে জীবন্ত রাখে। এ মাসে কোন আমলগুলো বেশি করা উচিত, সে বিষয়ে রাসুল (সা.) উম্মতকে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়ে গেছেন। তিনি তাঁর উম্মতকে রমজানে চারটি আমল বেশি বেশি করার কথা বলেছেন। এর মধ্যে দুটি হচ্ছে আল্লাহ-তাআলার সন্তুষ্টির জন্য, আর দুটি এমন আমল যা করা ছাড়া বান্দার কোনো উপায় নেই। (সহিহ ইবনে খুজাইমাহ, হাদিস: ১৮৮৭)। আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার ২ আমল ঃ ১. কালিমা বেশি বেশি পড়া: “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” হচ্ছে তাওহিদের মূল বাক্য এবং সর্বশ্রেষ্ঠ জিকির। বান্দা যখন আন্তরিকতার সঙ্গে এ কালিমা পড়ে, তখন সে তার রবের একত্ব স্বীকার করে এবং শিরক থেকে নিজেকে মুক্ত ঘোষণা করে। আর এটি শুধু মুখে স্বীকার নয়, অন্তর থেকে মানাও জরুরি। রমজানে এই জিকির হৃদয়কে পরিশুদ্ধ করে এবং আমলকে দৃঢ় করে। রাসুল (সা.) বলেছেন, “সর্বোত্তম জিকির হলো লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।” (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৩৩৮৩)। রমজানে এ কালিমা বেশি বেশি পড়া ঈমানকে নবায়ন করে এবং অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে।



