এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তির ও নিরাপদ হবে: সড়ক মন্ত্রী

প্রবাহ রিপোর্ট ঃ আসন্ন ঈদে মানুষ স্বস্তির ও নিরাপদ যাত্রা পেতে যাচ্ছে বলে আশ্বাস দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। যানজটমুক্তভাবে পরিবহন চলাচল এবং যাত্রীরা যাতে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে যখন যে ব্যবস্থার প্রয়োজন হবে, তা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সভাকক্ষে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে সড়ক, সেতু, রেলপথ ও নৌপথে যাত্রীসাধারণের যাতায়াত নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুতি সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা বলেন। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী রবিউল আলম বলেন, ঈদযাত্রার সঙ্গে যুক্ত যেসব প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা আছে এবং শ্রমিক সংগঠন, বাস মালিক সংগঠন, লঞ্চ মালিক সংগঠনসহ পরিবহনের সঙ্গে যারা যুক্ত আছেন, তাঁদের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত মতবিনিময় হচ্ছে। করণীয় নির্ধারণের জন্য আলোচনা ও পর্যালোচনা চলছে। তিনি বলেন, সবার মতামতের ভিত্তিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা মনে করছি, সেই সিদ্ধান্তগুলো কার্যকর করতে সব বিভাগ অঙ্গীকার করেছে। আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি তৎপর থাকবে। সেই প্রস্তুতি তারা গ্রহণ করেছে। আমরা মনে করছি, স্বস্তির যাত্রা নিশ্চিত করতে যার যার অবস্থান থেকে যে দায়িত্ব আছে, তা পালন করতে সবাই সক্ষম হবে এই প্রত্যাশা আমরা রাখছি। মানুষ একটি স্বস্তির ও নিরাপদ যাত্রা পেতে যাচ্ছে এ বিষয়ে আমরা আশাবাদী। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, মনে রাখা দরকার, দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে দেড় কোটির মতো মানুষ ঢাকা থেকে ঢাকার বাইরে যাবে। এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। পৃথিবীর অন্য কোনো শহরে এভাবে সীমিত সময়ের মধ্যে এত মানুষ একসঙ্গে ডিপার্চার করে (ছেড়ে যায়) Íএমন তথ্য জানা নেই। তবে ঢাকাকে এ চ্যালেঞ্জ সবসময় মোকাবিলা করতে হয়েছে। অতীতে, গতবার মোটামুটি ভালোভাবেই তা সফল হয়েছে। এবার আরও ভালোভাবে করতে আমরা সক্ষম হব বলে মনে করছি এবং সেই প্রস্তুতি ইতোমধ্যে গ্রহণ করেছি। চন্দ্রায় প্রত্যেকবারই হটস্পট তৈরি হয়। শেষে গিয়ে চন্দ্রায় ব্যাপক যানজট হয় এবং পুরো ব্যবস্থাপনা ভেঙে পড়ে সেই জায়গায় কী করবেন, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, এবার বিআরটিসি থেকে আলাদা বাস সেখানে প্রস্তুত রাখা হবে এ প্রতিশ্রুতি আমরা দিয়েছি। বিআরটিসির চেয়ারম্যান এখানে আছেন, তিনি তা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গার্মেন্টস খাতে ১৬ তারিখে ১৬ শতাংশ কারখানা ছুটি হয়ে যাবে। ১৭ তারিখে ২২ শতাংশ। এভাবে পর্যায়ক্রমে ঈদের আগেই ধাপে ধাপে গার্মেন্টস কারখানাগুলো ছুটি হবে। তারা পরিসংখ্যান দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং আমরা তাদের ওপর আস্থা রেখেছি। তারা অঙ্গীকার করেছে, এর কোনো ব্যত্যয় হবে না বলে আশা করছি।



