জাতীয় সংবাদ

অবশেষে হাদি’র কিলার ফয়সাল ভারতে গ্রেপ্তার

ফয়সালসহ দু’জন ১৪ দিনের রিমান্ডে
বাংলাদেশে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু’

প্রবাহ রিপোর্ট : ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পুলিশ। রোববার দেশটির পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের পুলিশের বিশেষ শাখার সদস্যরা বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এএনআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ ও অবস্থানের অভিযোগে রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন নামে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে ভারতের বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) সদস্যরা রোববার তাদের গ্রেপ্তার করেছেন। গ্রেপ্তারকৃতরা বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।
এক সংবাদি বিজ্ঞপ্তিতে এসটিএফ বলেছে, বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও খুনের মতো গুরুতর অপরাধ সংঘটনের পর ভারতে পালিয়ে আসা দুই বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপন করেছিলেন এবং সুযোগ বুঝে পুনরায় বাংলাদেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন বলে পুলিশের কাছে বিশ্বস্ত তথ্য ছিল।
সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গত ৭ ও ৮ মার্চের মধ্যবর্তী রাতে বনগাঁও এলাকা থেকে ওই দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, পটুয়াখালীর বাসিন্দা রাহুল ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং ঢাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন (৩৪)।
বিজ্ঞপ্তিতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ বলেছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী ওসমান হাদি হত্যাকা-ের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। হত্যার পর তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। এরপর ভারতের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান শেষে সম্প্রতি পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশের উদ্দেশ্যে বনগাঁয় জড়ো হয়েছিলেন।
এই ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার গ্রেপ্তারকৃতদের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
সূত্র: এএনআই।
‘ওসমান হাদির হত্যাকারীদের বাংলাদেশে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু’ : ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহিদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও মূল শ্যুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল এবং তার সহযোগী আলমগীর অবশেষে ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। রবিবার (৮ মার্চ) বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে কলকাতা পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দাদের সুস্পষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্ত দুই আসামি ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছে। এখন তাদেরকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এই গ্রেপ্তারকে একটি বড় সাফল্য হিসেবে বর্ণনা করেছে। কারণ হাদি হত্যার পর বাংলাদেশে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল ।
সূত্রটি জানায়, সম্প্রতি ডিজিএফআইয়ের নবনিযুক্ত মহাপরিচালক ভারত সফর করেন। তিনি এই সময় ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে হাদী হত্যা মামলার আসামিসহ সকল সন্ত্রাসীদের আটক করে বাংলাদেশের ফেরত পাঠানোর জন্য চাপ দিয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ সুস্পষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উক্ত ২ খুনের আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও, বাংলাদেশের আহবানের প্রেক্ষিতে ভারতে বসে বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারণাকারীদের বিরুদ্ধেও সাঁড়াশি অভিযান চালাবে বলে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চয়তা দিয়েছেন।
এদিকে, আটক হওয়া দুই ব্যক্তিকে রবিবার (৮ মার্চ) বিধাননগর আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত তাদের ১৪ দিনের জন্য পুলিশ রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই দুই অভিযুক্ত ব্যক্তি অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন এবং বনগাঁয় আত্মগোপন করেছিলেন। সুযোগ বুঝে তারা ফের বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন।
এসটিএফ সূত্রে খবর, গ্রেপ্তারকৃত ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন দুজনেই হাদিকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে। তারা উভয়ই মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে এবং গত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করছিল। সবশেষে তাদের অবস্থান ছিল বনগাঁয়।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার তাদের স্থানীয় আদালতে তোলা হলে তাদের পুলিশ রিমান্ডে পাঠানো হয়। নিজেদের হেফাজতে নিয়ে ওই দুই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় এসটিএফের তদন্তকারী কর্মকর্তারা।
ওসমান হাদির হত্যাকারী ফয়সালসহ দু’জন ১৪ দিনের রিমান্ডে : ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে কলকাতা পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। অভিযুক্ত দুজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে। আটক হওয়া দুই ব্যক্তিকে রবিবার (৮ মার্চ) বিধাননগর আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত তাদের ১৪ দিনের জন্য পুলিশ রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই দুই অভিযুক্ত ব্যক্তি অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন এবং বনগাঁয় আত্মগোপন করেছিলেন। সুযোগ বুঝে তারা ফের বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন।
গ্রেপ্তারকৃত দুই বাংলাদেশী নাগরিক হলেন রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন। ৩৭ বছর বয়সী ফয়সাল করিম মাসুদের বাড়ি পটুয়াখালী এবং ৩৪ বছর বয়সী আলমগীর হোসেনের বাড়ি ঢাকায়।
এসটিএফ সূত্রে খবর, গ্রেপ্তারকৃত ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন দুজনেই হাদীকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে। তারা উভয়ই মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে এবং গত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করছিল। সবশেষে তাদের অবস্থান ছিল বনগাঁয়।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার তাদের স্থানীয় আদালতে তোলা হলে তাদের পুলিশ রিমান্ডে পাঠানো হয়। নিজেদের হেফাজতে নিয়ে ওই দুই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় এসটিএফের তদন্তকারী কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা হেলমেট পরিহিত দুর্বৃত্তরা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হাদিকে গুলি করে, এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে ১৮ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টায় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। হাদি হত্যাকা-ের পর কিলার ফয়সালের পরিবারের সদস্য ও সহযোগীদের গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিলে ছয়জন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button