আহলান সাহলান মাহে রমাদান

২১ রমজানে ফযিলত
২১ রমজানের রাতটি (২০ রমজানের মাগরিবের পর থেকে) পবিত্র লাইলাতুল কদরের সন্ধানে প্রথম বিজোড় রাত, যা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ।
এই রাতে ইবাদত, কুরআন তেলাওয়াত, জিকির, সিজদায় দীর্ঘ সময় দুআ এবং দান-খয়রাত করা উচিত। শেষ ১০ দিনের ইতিকাফ শুরু করা এবং নফল নামাজ (কিয়ামুল লাইল) আদায় করা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। ২১ রমজানে করণীয় বিশেষ আমলসমূহ: লাইলাতুল কদরের সন্ধান: ২১তম রমজানের রাত (বিজোড় রাত) যেহেতু সম্ভাব্য কদরের রাত, তাই রাতভর ইবাদতে মশগুল থাকা। বেশি বেশি দুআ করা: বিশেষ করে আয়েশা (রা.)-এর শেখানো এই দুআটি বেশি পড়া: “আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা‘ফু আন্নী” (হে আল্লাহ, আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন, তাই আমাকে ক্ষমা করুন)। কুরআন তেলাওয়াত ও জিকির: কুরআন তেলাওয়াত, তাসবীহ পাঠ এবং আল্লাহর জিকিরে সময় কাটানো। নফল নামাজ (কিয়ামুল লাইল): ইশা ও ফজরের নামাজ জামাতে আদায়ের পাশাপাশি রাতে নফল নামাজ বা তাহাজ্জুদ আদায় করা। দান-খয়রাত: এই পবিত্র রাতে বা শেষ দশকে দান-খয়রাত করা, যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম সওয়াব নিয়ে আসে। ইতিকাফ শুরু: ২০ রমজানের সূর্যাস্তের পূর্ব থেকে রমজানের শেষ দিন পর্যন্ত মসজিদে বা ঘরে ইতিকাফ শুরু করা। এই রাতগুলো অবহেলায় না কাটিয়ে আল্লাহর নৈকট্য ও মাগফিরাত লাভের জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো উচিত।



