বাড্ডায় সড়কে ঝরল শিক্ষার্থীর প্রাণ : ২৪ ঘণ্টায় নিহত ৪

প্রবাহ রিপোর্ট ঃ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। রোববার ও সোমবার (৩০ মার্চ) এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) মো. ফারুক নিহত চারজনের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মধ্যবাড্ডা ইউলুপে সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় মোটরসাইকেলে থাক স্কুলছাত্র ফাহিম (১৭) নিহত হয়েছে। সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে দুর্ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহতাবস্থায় পথচারীরা তাকে ঢামেক হাসপাতালে নেয়, যেখানে বিকেল সাড়ে ৩টায় চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। প্রত্যক্ষদর্শী বাদশা মিয়া জানান, একটি বিকট শব্দ শুনে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন মোটরসাইকেলসহ ফাহিম গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে আছে। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।
জানা গেছে, একটি অটোরিকশা মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। নিহত ফাহিম পরিবারের সঙ্গে উত্তর বাড্ডা বাগানবাড়ি এলাকায় থাকত এবং স্থানীয় একটি স্কুলের ১০ম শ্রেণির ছাত্র ছিল। শ্যামপুর বাজারে ইকোপার্কের পাশে ট্রাকের ধাক্কায় শেখ ফরিদ (৫২) নামে এক সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন চালকসহ আরও একজন। রোববার (২৯ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে দুর্ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহতাবস্থায় ফরিদকে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হলে বিকেল ৫টায় চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের মামা সোয়াইব মোর্শেদ জানান, ফরিদের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানার ভালাশপুর গ্রামে। তার বাবার নাম মৃত ওবায়দুল্লাহ। বর্তমানে ফরিদ রাজধানীর কদমতলী পলাশপুর এলাকায় বসবাস করতেন এবং ভ্যানে জামা-কাপড় বিক্রি করতেন। দুর্ঘটনা ঘটে কদমতলী থেকে কেরানীগঞ্জ যাওয়ার পথে। ডেমরা কোনাপাড়ায় ব্যাটারিচালিত রিকশা উল্টে সুরুজ আলী (৬৫) নিহত হয়েছেন। রোববার সন্ধ্যা ৬টার দিকে দুর্ঘটনা ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত ৮টায় চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের ছেলে আলমাছ হোসেন জানান, তাদের বাড়ি শেরপুরের নালিতাবাড়ীর কৃষ্ণপত্তি গ্রামে। বর্তমানে তারা ডেমরার চিশতিয়া রোড এলাকায় বসবাস করতেন। রিকশায় কোনো যাত্রী ছিলেন না। যাত্রাবাড়ীর সায়েদাবাদে বাসের ধাক্কায় তাসলিমা আক্তার (৩৪) নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহতাবস্থায় পথচারীরা তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।



