হাইকোর্টের কর্মচারীকে ৪২ লাখ টাকা ফেরতের নির্দেশ

# জাল সনদে ১৯ বছর চাকরি #
প্রবাহ রিপোর্ট ঃ ২০০৭ সালের সুপ্রিম কোর্টে চাকরি নেন রাজধানীর হাতিরপুলের মোহাম্মদ গোলাম মাওলা। দীর্ঘদিন চাকরি করার পর এই অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে তিনি জাল সনদ দিয়ে চাকরি নিয়েছেন। এ অভিযোগে ২০২১ সালে বিভাগীয় মামলা হয়। বিভাগীয় মামলা প্রমাণিত হওয়ায় তাকে চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি চাকরি হতে অপসারণ করা হয়। চাকরি থেকে অপসারণই শেষ কথা নয়। এবার তাকে ২০০৭ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত নেওয়া বেতন ভাতা ৪২ লাখ ৩ হাজার ৯০১ টাকা ৩০ দিনের মধ্যে ফেরত দিতে বলেছেন। এ বিষয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর অফিস আদেশ জারি করেছে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ (সাধারণ ও সংস্থাপন শাখা)। অফিস আদেশে সাবেক অফিস সহকারী মোহাম্মদ গোলাম মাওলাকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়, জাল জালিয়াতির মাধ্যমে সৃজিত শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের ভিত্তিতে অত্র কোর্টের অফিস সহকারী পদে চাকুরি নিয়েছেন। ফলে চাকরিকালে দায়ের করা ( ০৯/২০২১) বিভাগীয় মামলায় আপনার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রুলস অনুযায়ী চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি আপনাকে চাকরি হতে অপসারণ করা হয়। আপনার চাকরি শুরু থেকেই বাতিল মর্মে গণ্য হয়। সে হিসেবে আপনি আপনার চাকরিকালে কোনো বেতন ভাতাদি প্রাপ্য হন না। ২০০৭ সালের ৩১ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চাকরিকালে গোলাম মাওলা মোট বিয়াল্লিশ লাখ তিন হাজার নয়শত এক টাকা বেতন ভাতাদি বাবদ উত্তোলন করেছেন। আদেশে বলা হয়, গোলাম মাওলার চাকরি শুরু থেকেই বাতিল মর্মে গণ্য করা হয় এবং যেহেতু কোনো বেতন ভাতাদি প্রাপ্য হন না সেহেতু, উত্তোলন করা বেতন ভাতাদি বাবদ মোট বিয়াল্লিশ লাখ তিন হাজার নয়শত এক টাকা অটোমেটেড চালান সিস্টেম এর মাধ্যমে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সরকারি কোষাগারে ফেরত প্রদানের নির্দেশ প্রদান করা হলো।



