জাতীয় সংবাদ

ফ্লাইদুবাই ছিনতাইচেষ্টার পর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি বিমানে হামলার ডাক আল-কায়েদার

প্রবাহ রিপোর্ট ঃ ফ্লাইদুবাইয়ের একটি উড়োজাহাজ ছিনতাইচেষ্টার ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজে ‘অনুকরণমূলক হামলা’ চালানোর আহ্বান জানিয়েছে আল-কায়েদা। একই সঙ্গে ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার প্রশংসা করেছে সংগঠনটির সমর্থকদের প্রকাশিত একটি সাময়িকী। নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আল-কায়েদার সমর্থকদের প্রকাশিত সাপ্তাহিক সাময়িকী ‘আল-বায়ান’-এর সর্বশেষ সংস্করণে এ আহ্বান জানানো হয়। গত জুলাইয়ে প্রকাশনা শুরু হওয়া সাময়িকীটির একটি নিবন্ধে বলা হয়, ‘যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি’ এবং আকাশে থাকা যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইসলামবিরোধী দেশগুলোর উড়োজাহাজ হামলার লক্ষ্য হতে পারে। নিবন্ধে ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার প্রসঙ্গ তুলে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এখন আগের চেয়ে বেশি শত্রু রয়েছে। একসময় ‘আমেরিকার সাম্রাজ্য’ শেষ হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। শনিবার আল-কায়েদার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট টেলিগ্রাম চ্যানেলগুলোতে নিবন্ধটি ছড়িয়ে পড়ার পর সেটি সরিয়ে নেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে ফ্লাইদুবাইয়ের এফজেড১০৭৩ ফ্লাইট ছিনতাইয়ের চেষ্টা করার অভিযোগ ওঠে ওমানের সহকারী পাইলট হামাম আল-হামামির বিরুদ্ধে। ঘটনার প্রায় নয় ঘণ্টা পর তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে আল-কায়েদার নেতাদের সঙ্গে সম্পর্কিত কয়েকটি পোস্ট প্রকাশিত হয়। সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি পোস্টে ককপিটের ভেতরের ভিডিওতে কাছাকাছি থাকা ইসরায়েলি উড়োজাহাজের দিকে ক্যামেরা জুম করতে দেখা যায়। ভিডিওতে আল-কায়েদার সাবেক প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরির ছবিও ছিল। ২০২২ সালে নিহত জাওয়াহিরি ওসামা বিন লাদেনের উত্তরসূরি ছিলেন। পোস্টে ২০০৯ সালের আত্মঘাতী হামলাকারী হুমাম খলিল আবু-মুলাল আল-বালাওয়ির ছবিও ছিল। ওই হামলায় সাত মার্কিন সিআইএ কর্মকর্তা ও ঠিকাদারসহ নয়জন নিহত হন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আল-বালাওয়ি আল-কায়েদার প্রতি অনুগত ছিলেন। আরেকটি পোস্টে ইসলাম ধর্মের তিন পবিত্র স্থান মক্কা, মদিনা ও জেরুজালেমকে একটি আলোকিত রেখার মাধ্যমে যুক্ত করে তৈরি এআই-ছবি প্রকাশ করা হয়। অভিযুক্ত পাইলট তখন পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় এসব পোস্ট তার লিংকডইন ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত হয়। তবে কে পোস্টগুলো প্রকাশ করেছে বা সেগুলো আগে থেকে নির্ধারিত ছিল কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। পরে দুটি অ্যাকাউন্টই মুছে ফেলা হয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button