খেলাধুলা

চোট কাটিয়ে দলে ফেরার আশায় হ্যাজেলউড

স্পোর্টস ডেস্ক : চোটের কারণে অ্যাশেজ সিরিজে খেলতে না পারলেও শ্রীলঙ্কায় আগামী মাসে শুরু হতে যাওয়া অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি বিশ^কাপ অভিযান শুরুর আগেই পুরোপুরি ফিট হয়ে ওঠার ব্যাপারে আশাবাদী পেসার জশ হ্যাজেলউড। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শুরু থেকেই ছিটকে যান হ্যাজেলউড। পুনর্বাসন চলাকালীন সময়ে এরপর তার অ্যাকিলিসেও সমস্যা দেখা দেয়। এই কারণে তিনি বিগ ব্যাশ লিগের শেষ দিকের ম্যাচগুলোতে সিডনি সিক্সার্সের হয়ে খেলতে পারবেন না এবং জানুয়ারির শেষ দিকে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজেও তাকে পাওয়া যাবে না। তবে বিশ^কাপ শুরুর আগে ফেব্রুয়ারির শুরুতে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার লক্ষ্য রয়েছে তার। সূচিও হ্যাজেলউডের পক্ষে রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ম্যাচ ১১ ফেব্রুয়ারি আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি আগেই জানিয়েছেন, প্রয়োজনে প্যাট কামিন্সকে কিছুটা বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে, তবে শুরু থেকেই খেলতে না পারা একাধিক খেলোয়াড় দলে রাখার সুযোগ নেই। ‘ক্রিকইনফো’কে হ্যাজেলউড বলেন, ‘সবকিছু পরিকল্পনামাফিক চলছে। টেস্ট খেলতে না পারার পর আমরা কয়েক সপ্তাহ অতিরিক্ত সময় নিয়েছি। গত সপ্তাহে অর্ধেক রান-আপ থেকে বোলিং করেছি। দৌড়ানো, শক্তি বাড়ানোর সব কাজ ভালোভাবেই চলছে। সব মিলিয়ে আমি সঠিক পথেই আছি।’ ২০২০-২১ মৌসুমে ভারতের বিপক্ষে চারটি টেস্ট খেলার পর থেকে হ্যাজেলউড খুব কম সময়ই ইনজুরিমুক্ত একটি ঘরোয়া মৌসুম কাটাতে পেরেছেন। ২০২৩ সালের মাঝামাঝি অ্যাশেজ থেকে শুরু করে ২০২৪-২৫ মৌসুমের ভারতের বিপক্ষে সিরিজের শুরু পর্যন্ত টানা দশটি টেস্ট খেলাই ছিল তার সবচেয়ে দীর্ঘ ইনজুরিমুক্ত সময়, যা পরে কাফ ও সাইড স্ট্রেইনের কারণে থেমে যায়। এর আগে তিনি বিশ^ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে এক মাসে চারটি টেস্ট খেলেছিলেন। হ্যাজেলউড জানিয়েছেন, ইনজুরির পেছনে কোনো সাধারণ কারণ আছে কি না তা খতিয়ে দেখতে তিনি মেডিকেল স্টাফদের সঙ্গে কাজ করছেন। সাম্প্রতিক হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিকে তিনি ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বললেও, অ্যাকিলিসের সমস্যাটি আগের কিছু গোড়ালির জটিলতার ফল বলে মনে করেন। অক্টোবরে ভারতের বিপক্ষে সাদা বলের সিরিজে দারুণ ফর্মে ছিলেন হ্যাজেলউড। তবে এসসিজিতে ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে শেফিল্ড শিল্ড ম্যাচে টানা তিন দিন বোলিং করার পরই হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়েন। ভবিষ্যতে লাল বলের ক্রিকেটের প্রস্তুতির সময়, বিশেষ করে আগস্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের আগে, নিজের ট্রেনিং পদ্ধতিতে কিছু পরিবর্তন আনতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন এই অস্ট্রেলিয়ান পেসার।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button