চট্টগ্রামে বিএনপি-জামায়াতের ঝটিকা মিছিল

প্রবাহ রিপোর্ট : বিএনপি-জামায়াতসহ সমমনা দলগুলোর ডাকা ৬ষ্ঠ দফায় টানা ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ ছোট ছোট ঝটিকা মিছিলের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার শেষ দিনে সকালে চট্টগ্রাম নগরী ও জেলার কয়েকস্থানে বিক্ষিপ্তভাবে ঝটিকা মিছিল করে বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তবে অবরোধে জনজীবন ও সড়কে যানবাহন চলাচল ছিল স্বাভাবিক। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে নগরীর বড়পুল এলাকায় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াছিন চৌধুরীর লিটন, আবদুল মান্নান ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাবেক কাউন্সিলর আবুল হাশেমের নেতৃত্বে মিছিল করে বিএনপি। একই সময়ে নগরীর পুরাতন চান্দগাঁও থানার মৌলভীপুকুর এলাকায় মিছিল করেছে চান্দগাঁও থানা মিছিল। এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার অবরোধের সমর্থনে দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ঝটিকা মিছিল করেছে বাঁশখালী উপজেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। একই সময়ে নগরীর কাজীর দেউড়ি এলাকায় ঝটিকা মিছিল করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম শহিদ ওই মিছিলের নেতৃত্ব দেন। এদিকে চট্টগ্রাম মহানগরীর অলিগলির মুখে ঝটিকা মিছিল করে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরাও। গতকাল বৃহস্পতিবার দলের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এসব ঝটিকা মিছিলে মহানগর, থানা ও ওয়ার্ডের নেতা-কর্মীরা অংশগ্রহণ করে বলে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের প্রচার সম্পাদক এ এইচ এম কামালের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে পাঠানো ছবিতে দেখা যায়, পাঁচলাইশ, চকবাজার, সদরঘাট, আকবরশাহ এলাকায় এসব ঝটিকা মিছিল বের করে জামায়াত।মূল সড়ক লাগোয়া গলির মুখে এসব মিছিল করেন জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণবিরোধী সরকার আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন দিয়ে তফসিল ঘোষণা করে একতরফা নির্বাচন করার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। সে ষড়যন্ত্রকে বাস্তবরূপ দেওয়ার জন্যই সারাদেশে গায়েবি মামলা ও গণগ্রেপ্তার চালানো হচ্ছে। কিন্তু জনগণ সরকারের এ চক্রান্ত মেনে নেবে না বরং একতরফা তফসিল বাতিল করা না হলে জনগণ রাজপথে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে। এমতাবস্থায় দেশ ও জাতিকে শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। অবিলম্বে দ্রব্যমূল্য মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানান নেতারা।



