স্থানীয় সংবাদ

‘এপোস্টিল’ পদ্ধতিতে সার্টিফিকেট সত্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সময় ও অর্থ সাশ্রয় এবং ভোগান্তি কমবে

# খুবিতে এপোস্টিল বিষয়ক কর্মশালায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংস্কার ও সমন্বয় সচিব #

খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব মোঃ মাহমুদুল হোসাইন খান বলেছেন, বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ ও চাকরি প্রত্যাশী শিক্ষার্থীদের জন্য ‘এপোস্টিল’ পদ্ধতিতে অনলাইনে সনদ সার্টিফিকেট সত্যায়ন চালু করা অত্যন্ত জরুরি। ‘এপোস্টিল’ পদ্ধতিতে সার্টিফিকেট সত্যায়ন করা হলে শিক্ষার্থীদের সময়, শ্রম ও অর্থ সাশ্রয় হবে এবং তাদের ভোগান্তি কমবে। পাশাপাশি বিভিন্ন দূতাবাস ও মন্ত্রণালয়সহ নানা দপ্তরে সত্যায়নের প্রতিবন্ধকতা থেকে মুক্তি মিলবে। বুধবার(২২জানুয়ারি) সকাল ১০টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের কম্পিউটারের ল্যাবে মাইগভ প্ল্যাটফর্মে এপোস্টিল বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত থেকে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ‘এপোস্টিল’ পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে বহির্বিশ্বের সাথে সংযোগ স্থাপন সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিউটসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এর আওতায় আনা হবে। কারণ, এর সাথে দেশের সম্মান জড়িত। আমরা যদি ‘এপোস্টিল’ পদ্ধতি আত্মস্থ করতে না পারি, তাহলে বহির্বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবো। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। তিনি বলেন, বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও চাকরি গ্রহণের জন্য সনদপত্রসহ অন্যান্য ডকুমেন্ট ম্যানুয়ালি সত্যায়ন করা কষ্টসাধ্য বিষয়। এতে নানা ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এপোস্টিল পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে সেসব সমস্যা ও ভোগান্তি দূর হবে। সরকারের এমন একটি উদ্যোগের অংশ হতে পেরে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার গর্বিত।
তিনি আরও বলেন, সার্টিফিকেট সত্যায়নে এপোস্টিল পদ্ধতি চালুর জন্য গুরুত্বসহকারে কাজ করতে হবে। যাতে প্রযুক্তির অপব্যবহার করে কেউ কোনো অনৈতিক সুবিধা না নিতে পারে। তিনি এই কর্মশালার ভেন্যু হিসেবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে বেছে নেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতভাবে ধন্যবাদ জানান।
ভার্চুয়ালি যুক্ত থেকে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংস্কার অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোঃ হুমায়ুন কবির ও সমন্বয় অনুবিভাগের যুগ্ম সচিব শাহানারা বেগম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিনিয়র সহকারী সচিব মোঃ রাশেদুল হাসান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর বিষয়ভিত্তিক সেশন উপস্থাপন করেন এটুআই’র কনসালটেন্ট মোহাম্মদ আব্দুর রহিম, জুনিয়র কনসালটেন্ট মোঃ এরশাদ আলম ও ডোমেইন অফিসার মিয়া ফাহিম হাসান।
এ কর্মশালায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, খুুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ জন শিক্ষক-কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button