দিনে গরম রাতে শীত : ঘরে ঘরে ঠান্ডাজনিত রোগ

কাল থেকে কমতে পারে তাপমাত্রা
ফেরদৌস রহমান : দিনের বেলায় তাপমাত্রা বাড়লেও মধ্য রাতে পর কড়া নাড়ছে শীত। সেই সাথে একটু রাত হলে ঘন কুয়াশার কারণে অধিকাংশ মানুষেরা আক্রান্ত হচ্ছে ঠান্ডা-গরমজানিত রোগে।বিশেষ করে শিশু বৃদ্ধরা বেশি হলেও আক্রান্ত হচ্ছে সব বয়সীয় মানুষেরা। এ দকে খুলনা আবহাওয়া অফিস বলছে আগামী কাল হতে কিছুটা তাপমাত্রা কমবে।
সরেজমিনে দেখা যায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সহ শিশু হাসপাতালে অধিকাংশ শিশুরা জ¦র,শর্দি কাশি নিয়ে চিকিৎসা নিতে অভিভাবকদের জমায়েত হচ্ছে হাসপাতাল চত্বরে।
পাশাপাশি বিভিন্ন বয়সী মানুষেরা এই জ¦র সর্দিতে আক্রান্ত হয়ে সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসকদের শরাপন্ন হচ্ছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মো. আশরাফুল রহমান বলেন, আমার হঠাৎ করে গায়ে প্রচন্ড ব্যাথা আর শরিরে মধ্যে দুর্বলতা লাগছিল।তার একদিন পর জ¦র আর নাক শর্দিতে বন্ধ হয়ে যায় নাক আর গলায় ঠান্ডার সমস্যায় কথা বের হচ্ছেনা। গায়ে প্রচন্ড শীত লাগে কিছু খেতে ভাল লাগেনা।এছাড়া মারাত্মক ভাবে কাসি হতে থাকে।বিভিন্ন কাসির ওষুধ সহ টোটকা লবঙ্গ খেয়ে এখণ আমি একটু সুস্থ্য হওয়ার পর বাড়ীর অন্যান সদস্যদের একই লক্ষন দেখছি। আমাদের আশেপাশের মহল্লার অধিকাংশ মানুষের একই সমস্যা।একই কথা বলেন, হামিদা বেগমের স্বজণ তামান্না আক্তার তিনি বলেন, আমার বাঘিনা দুইজন ও আক্রান্ত হয়েছে জ¦র সর্দিতে একজনের বয়স সারে পাচ বছর একজনের বয়স সারে দশ মাস। এ দিকে ছোট ভাগিনার এনও এক মাসেও কমছেনা সর্দি। এবিষয়ে খুলনা পেপুটি সিভিলসার্জন ডাঃ শেখ মোহাম্মাদ কামাল হোসেন বলেন, এসময় ঠান্ডাজনিত জ্বর নাক দিয়ে পানি পড়া, সর্দি কাশি দেখা দিতে পারে। এসব অসুখ থেকে দূরে থাকার জন্য নিতে হবে আগাম প্রস্তুতি। একই এসময়ে বেশি করে তরল ও গরম জাতীয় খাবার বেশি খাবেন। প্রতিদিন চা, হালকা গরম পানি, আদা, লেবু, মধু ইত্যাদি রাখবেন খাবারের তালিকায়। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানির সঙ্গে এক চা চামচ মধু ও এককোয়া রসুন মিশিয়ে খেলেও উপকার পাবেন। এসময় ঠান্ডা পানিতে গোসল করলেও ঠান্ডাজনিত নানা অসুখ দেখা দিতে পারে। তাই গোসলের পানি হালকা গরম থাকাই ভালো।
এ বিষয়ে খুলনা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, আগামী দু তিনদিন তাপমাত্রা কিছুটা কম হতে পারে। এরপর তাপমাত্রা বড়বে। এছাড়া এই মাসে বর্চ বৃষ্টিপাতা হতে পারে সেই সাথে ঝড়ো হাওযা হওয়ার সম্ভাবনা আছে।



