পোল্ট্রি-ডেয়ারী খামারীর সাথে চাষীদের হতাশায় প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা

খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ মুরগীর ডিম, মাংস ও দুধ উৎপাদনে বর্তমানে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে রপ্তানি করতে পারে। কিন্তু চাহিদার অতিরিক্ত উৎপাদন ও রপ্তানির সুব্যবস্থা না থাকায় বিপাকে পড়েছে দেশের লাখ লাখ খামারী। সরকারের আহ্বানে বেসরকারি ও ব্যক্তি উদ্যোগে ডিম, মাংস, দুধ উৎপাদন করে বাজারমূল্য না থাকায় ক্রমান্বয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দেনার দায়ে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে খামারীদের। একই অবস্থা বর্তমান চাষীদের। উৎপাদিত পণ্য—আলু, পেয়াজ, রসুন, বেগুন, টমেটো, লঙ্কাসহ শাক-সব্জির মারাত্মক মূল্য ধসে তারা বিধ্বস্ত। পবিত্র মাহে রমযান শেষে খুশির ঈদ তাদের হতাশা-বেদনায় পরিণত হবে। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় কোনো মিডিয়ারই কোনো ভূমিকাও পরিদৃশ্যমান নয়। তাদের দুঃখ-বেদনা, হাহাকার-হতাশা লাঘবে এগিয়ে আসছে না/আসেনি কোনো সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তারা। এমতাবস্থায় এদের নিদারুণ দুর্দশা লাঘবে বিশেষ প্রণোদনা ও পুনর্বাসনের জন্য প্রধান উপদেষ্টা বরাবর আবেদন ও হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, খুলনা বিভাগ কর্তৃক প্রদেয় ‘প্রাণিপ্রেমী’ উপাধিপ্রাপ্ত এস এম সোহরাব হোসেন। অপরদিকে প্রাণিপ্রেমী এস এম সোহরাব হোসেনের এ যৌক্তিক দাবীর প্রতি একাত্মতা ও সংহতি জানিয়েছেন পোল্ট্রি সংশ্লিষ্ট দেশের জাতীয় ও কেন্দ্রীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ হলেন বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদের সভাপতি হাজী আব্দুল বারেক সরকার, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোঃ মহসীন, বাংলাদেশ এগ প্রডিউসার এসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ আবু তাহের, ফিস ফার্ম ওনারস্ এসোসিয়েশনের মোল্লা সামসুর রহমান শাহীন, খুলনা পোল্ট্রি ফিশ ফিড শিল্প মালিক সমিতি’র সভাপতি আলহাজ্ব মাওঃ ইব্রাহিম ফয়জুল্লাহ, ঢাকা বিভাগীয় প্রধান সমন্বয়ক কামাল আহমেদ নান্নু, বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়ক মোঃ সোহেল, সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়ক আব্দুল আউয়াল হক, রংপুর বিভাগীয় সমন্বয়ক মোঃ মাহবুব আলম, কুমিল্লা বিভাগীয় সমন্বয়ক আব্দুল মালেক ভূইয়া, ময়মনসিংহ বিভাগীয় সমন্বয়ক নুরুল আসলামসহ সকল জেলা প্রতিনিধি।



