রূপসা আলাইপুর গ্রামের বাছেদ শিকদারকে নিয়ে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার ঃ রূপসা উপজেলার আলাইপুর গ্রামের বাছেদ শিকদারসহ আরও ৩ জনের নামে আছেরা বেগমের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য পরিবেশন ও বিশোদগারের প্রতিবাদে গতকাল দুপুর ১২টায় খুলনা প্রেসক্লাবে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই গ্রামের আমিন শিকদার।
লিখিত বক্তব্য পাঠকালে আমিন শিকদার বলেন, গত ৫ মার্চ দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে আলাইপুর, রূপসা গ্রামের আছেরা বেগম আমার বড় ভাই বাছেদ শিকদার ও আমিসহ আরও ৩জনের নামে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন কিছু অভিযোগ করেছেন। যা অত্যান্ত বেদনাদায়ক ও মানহানীকর। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়েছে বাছেদ শিকদার আছেরা বেগমের বড় ভাই মো:আলী শিকদারের কাছে এক লক্ষ টাকা চাদা দাবি করেছেন। এটা একেবারেই মিথ্যা ও বানোয়াট। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে গত ২৪ জানুয়ারী (শুক্রবার) আছেরা বেগম, তার তিনভাই মোঃআলী শিকদার, মারুফ শিকদার ও বশির শিকদার এবং চাচা ফারুক শিকদারের মধ্যে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব হয়। এক পর্যায়ে আছেরা বেগম ও বাকিরা মিলে বশির শিকদারকে মারধোর করে রক্তাক্ত জখম করে রাস্তায় ফেলে রাখে। এ সময় চায়ের দোকানে থাকা গ্রামের বেশকিছু মানুষ বশিরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। সে সময় বশিরের বড় ভাই মো:আলী শিকদার তাকে হাসপাতালে নিতে নিষেধ করে গ্রামবাসীর উদ্দ্যেশ্যে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। মানবিক কারণে এগিয়ে আসা গ্রামবাসীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোসহ দেখে নেয়ারও হুমকি দেয়। মো:আলী শিকদারের উর্ধোর্তপূর্ণ এমন আচরণে গ্রামবাসী একত্রিক হয়ে প্রতিবাদ করেন। এসময় মোঃ আলী কয়েকজনের গায়েও হাত তোলেন। তারপরও গ্রামবাসী বশির শিকদারকে হাসপাতালে ভর্তি করে। বশির সুস্থ হয়ে রূপসা থানায় অভিযোগ করেন নিজের দুইভাই ও চাচার নামে। পরবর্তিতে এ ঘটনায় আদালতে মামলা দায়ের করেন। এসব ঘটনায় আমার ভাই বাছেদ শিকদার গ্রামবাসীর সাথে প্রতিবাদ করেন। কিন্তু সমস্ত রাগ অজ্ঞাত কারণে আছড়ে পড়েছে শুধুমাত্র বাছেদ শিকদার, আমিন শিকদার, মাহাবুল শিকদার ও শহিদ আলী শিকদারের ওপর। এ ঘটনার পর একাধিক মিথ্যা মামলাও দায়ের করেছেন।
সংবাদ সম্মেলন করতে এসে আছেরা বেগম দেশের স্বনামধন্য দেশপ্রেমী বাহিনী কোস্টগার্ড ও আমার ভাইকে জড়িয়ে যে বানোয়াট কথা বলেছেন এটা আমার দৃষ্টিতে অপরাধ ও ধৃষ্টতার শামীল। এমন কথা বাছেদ শিকদার বা আমরা কেউ কখনো ভাবতেও পারিনা। সংবাদ সম্মেলনে আমার ভাই বাছেদ শিকদারকে একটি বাহিনীর প্রধান বলা হচ্ছে। এছাড়া আছোরা বেগম, তার কাকি, ফুফু ও ভাইয়ের বৌকে আহত করা শ্লিলতাহানী ও লুটপাট করার যে বিষয়টি উল্লেখ করেছেন তা মিথ্যা ও কল্পনাপ্রসূত।
তিনি আরও বলেন, আছোরা বেগম ও তার ভাই মোঃ আলী শিকদার এবং তার সঙ্গীরা প্রকৃত ঘটনা অন্যদিকে প্রবাহিত করতে বাছেদ শিকদার, আমি ও কয়েকজনকে জড়িয়ে সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করছে। আমার ভাইকে বনদস্যু, মাদক ব্যবসায় বলে উল্লেখ করছেন। মূলত:নিজের ভাইকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতেই এমন কৌশল অবলম্বন করে প্রশাসনের দৃষ্টি অন্যদিকে নেয়ার চেষ্টা করছেন। নিজের ভাইকে যেখানে তারা রক্তাত্ত করে মেরে ফেলার চেষ্টার ঘটনা ঘটিয়েছে। সেখানে উল্টো গ্রামবাসীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসাচ্ছে।



