স্থানীয় সংবাদ

জোর পুর্বক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে উচ্ছেদের বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার ঃ জোর পুর্বক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে উচ্ছেদ ও প্রায় ৮০ লাখ টাকার ক্ষতিসাধনের বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভূক্তভোগী ওবায়দুল ইসলাম। রোববার সকালে খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য ওবায়দুল ইসলাম বলেন, নগরীর ৬২ খানজাহান আলী রোডে মেসার্স হক ট্রেডার্স নামে তার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। কয়েক দিন আগে জমির মালিক আফতাব ও তার দুই ছেলে সন্ত্রাসী ভাড়া করে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ৭০-৮০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে দোকান তালাবদ্ধ করে দেয়। এ ঘটনায় সে আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্তের জন্য থানা পুলিশকে নির্দেশ দিলেও পুলিশ এখনও তদন্ত কাজ শুরু করেনি। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় গ্রাহকের কাছে পাওনা থাকা লাখ লাখ টাকা ওঠাতে পারছেন না। তিনি সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন নগরীর খানজাহান আলী রোডের জামায়াতখানার পূর্বে পাশে একসময় পুকুর ছিলো। সেখানে ১২ শতক জমির মালিক মোসা: জেবুন নেছা বেগম। ১৯৮৫ সালে ৩০ অক্টোবর ওই জমির পজিশন ক্রয় করে আমার বাবা মোজাম্মেল হক শিকদার দোকান নির্মান করে ব্যবসা পরিচালনা শুরু করেন। একই দাগের জমিতে আরেক ব্যবসায়ী ইব্রাহিম মোড়ল এবং ভব রঞ্জন সরকার ভাড়া নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। ১৯৯৫ সালে ওই জমির মালিকানা নিয়ে জেবুন নেছা বেগমের সাথে একটি পক্ষের মামলা হয়। ওই মামলা পরিচালনার জন্য উল্লিখিত তিন ব্যবসায়ীর সাথে মামলা পরিচালনা খরচ বহনের জন্য একটি চুক্তি হয়। চুক্তিতে বলা হয় মামলার রায় জেবুন নেছার পক্ষে গেলে তিন ব্যবসায়ীকে ১ লাখ টাকা সর্বমোট ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা গ্রহণ করে যার যার দোকান অনুযায়ী সাড়ে তিন কাঠা জমি রেজিস্ট্রেশন করে দেবেন। মামলার খরচ বাবদ জেবুন নেছা ওই তিন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মামলার খরচ বাবদ টাকা গ্রহণ এবং প্রতিমাসে সাংসরিক খরচ দেড় হাজার টাকা গ্রহণ করবেন। চুক্তি অনুযায়ী টাকাও পরিশোধ করা হয়। পরবর্তীতে জেবুন নেছা বেহম গং মোকাদ্দামায় ডিক্রীপ্রাপ্ত হওয়ার পর তাদের আচরণ বদলে যায়। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সকালে মার্কেট বন্ধ থাকার সুযোগ নিয়ে তারা ১৫-২০ জন ভাড়া করা সন্ত্রাসী নিয়ে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জেবুন নেছা বেগমের ছেলে আফতাব আহম্মেদ এবং আফতাবের দুই ছেলে রনি ও জনি তালা ভেঙ্গে আমার দোকানে প্রবেশ করে মূল্যবান কাগজপত্রসহ মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। যার মূলণ্য ৭০-৮০ লাখ টাকা। এ সব ঘটনায় আমি ২৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে মামলা দায়ের করি। কিন্তু পুলিশ এখনও তদন্ত শুরু করেনি।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button