নগরীতে ইজিবাইক হারালেন চালক

# ঈদের আগে সক্রিয় অজ্ঞানপার্টি চক্র #
শেখ ফেরদৌস রহমান: নগরীতে ঈদের আগেই সক্রিয় হচ্ছে অজ্ঞান পার্টি চক্রর সদস্যরা। এর আগে শয়তানের নিশ^াস এর মাধ্যমে বেশ কিছু সাধারণ নাগরিক সর্বস্ব খুইয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে এর মধ্যে বেশ কিছুদিন যাবৎ এই চক্র আড়ালে থাকলেও ঈদের আগেই আবারও সক্রিয় হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এছাড়া অনেকভুক্ত ভোগিরা থানায় যেয়ে কোন অভিযোগ না দেওয়াতে এসব অজ্ঞান পার্টির সদস্যদের দৌরাত্ম বাড়ছে । কথা হয় ভুক্তভোগী ইজিবাইক চালক মোঃ রকির সাথে তিনি বলেন, গেল তিন বছরের ব্যবধানে আমার মা-বাবা দুজনই মারা যায়। আমি ইজিবাইক চালিয়ে উপার্জন করি। আমি ও আমার স্ত্রী আর ছোট ভাই মিলে সংসার কোন মতে চলে। আমি ভাড়ায় ইজিবাইক চালাই এর মধ্যে গেল ৯ মার্চ ইফতারি শেষে আমি নিউমার্কেট এলাকায় যাই যেখানে খাবার বিক্রি হয়। এর মধ্যে দুই জন ব্যক্তি একজন উচুলম্বা কালো মত মনে কোন প্রশাসনের লোক তবে তার মুখ মাস্ক দিয়ে ডাকা একজন মুখ খোলা একটু মোটা তারা আমার গাড়ীর কাছে এসে বলে আমরা দু’জন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাবো আর আসবো বলে রির্জাভ যাত্রী হিসেবে উঠে। আমি তাদেরকে নিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছানোর কথা পর্যন্ত মনে আছে। এর পর আমি মধ্য রাত্রে জ্ঞান ফিরে শুনি আমাকে নতুন রাস্তা বিজিবি ক্যাম্প এর সামনের থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেলে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করিয়েছে। আমার ম্যানিব্যগে সমিতির কিস্তির ৫ হাজার টাকা ও মোবাইল সহ গাড়ীটি নিয়ে তারা লাপাত্তা। এখন পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ করতে পারিনি। আমি একটু সুস্থ্য হলে অভিযোগ করব। এ দিকে মহাজন সাহেব বলছে আমি কিছু জানিনা আমার গাড়ী ফেরত দিতে হবে। আমি এখন কোন উপায় দেখছিনা। আমি এখন কিরব বুঝে উঠতে পারছিনা। এ বিষয়ে কথা হয় সচেতন নাগরীক ওয়াছিউর রহমানের সাথে তিনি বলেন, এমনিতে সামনে ঈদ এছাড়া চলছে রমাজান মাস। এসময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সব সময়ে তৎপরতা থাকে। তারপরও চুরি ছিনতাই খুলনায় তেমনটি না হলেও আগের থেকে শয়তানে নিশ^াস এর খপ্পরে অনেকে ব্যবসায়ি সাধারণ মানুষেরা সব কিছু হারিয়েছে। এরা সাধারণ মানুষের মত চলাফেরা করে দেখে মনে হয় ভদ্র মানুষ। এদের দেখে বোঝার উপায় নেই। যে কারণে আমাদের সচেতন হতে হবে কোন যাত্রীকে সন্দেহ হলেই বা তার মুখ মাস্ক দিয়ে ডাকা থাকলে সতর্ক হতে হবে। পাশাপাশি কোন অপরিচিত মানুষ কোন কাগজে ঠিকানা বা কিছু বের করে আপনাকে দেখানোর চেষ্টা করলেও আপনারা সতর্ক হবেন। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনির আরও বেশি তৎপরতা হতে হবে। গোয়েন্দা নজর বাড়াতে হবে। বিশেষ করে মার্কেট বাজা এলাকাতে। এ বিষয়ে কেএমপি’র গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান এ্যাডিশনাল ডিআইজি মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন, আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি। এছাড়া কোন ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ করলেও আমরা প্রতারকদের ধরতে সুবিধা হয়। আমরা আরও বেশি গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করছি।



