খুলনায় ব্যবসায়ী ৫ দিন ধরে নিখোঁজ : উদ্ধারের দাবিতে মানবনন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার ঃ খুলনায় খানজাহান আলী থানাধীন শিরোমনি কেডিএ মার্কেটের ১৫ এপ্রিল নিখোঁজ হওয়া ব্যবসায়ী মো: আনোয়ার হেসেনকে অবিলম্বে খুঁজে বের করার দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বেলা ১১ টায় শিরোমনি শহীদ মিনারের সামনে খুলনা-যশোর মহাসড়কে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। শিরোমনি কেডিএ ও শিরোমণি বাজারের সকল ব্যবসায়ীগণ এ মানববন্ধন ও সমাবেশের আয়োজন করে।
কেডিএ মার্কেটের ব্যবসায়ী শেখ রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তৃতা করেন, নিখোঁজ আনোয়ার হোসেনের দুই ছেলে আবু সাঈদ ও সিয়াম। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন, ব্যবসায়ী ইফতেখাইরুল আলম বাপ্পী, শেখ জাকির হোসেন, এস এম ইলিয়াস হোসেন, মো. আইয়ুব আলী, মুরাদ হোসেন, মোহাম্মদ রইস, মোহাম্মদ পলাশ, মোহাম্মদ জুয়েল, বিল্লাল মল্লিক, জাকির হোসেন, শেখ জাহিদ হোসেন, শেখ আনছার আলী, ইয়াসিন মোড়লসহ অন্যান্য ব্যবসায়ীবৃন্দ।
এর আগে গত ১৫ এপ্রিল ব্যবসায়ী মো: আনোয়ার হোসেন শিরোমনি ডাক্তারবাড়ী থেকে পরিবারের সদস্যদের এবং দোকানের মালামাল কেনাকাটার উদ্দেশ্যে বের হয়ে খুলনা থেকে তিনি নিখোঁজ হন বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানা যায়। এ ঘটনায় পরের দিন নিখোঁজ আনোয়ারের বড় ছেলে আবু সাঈদ খুলনা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। দীর্ঘ ৫ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ এখনো পর্যন্ত তার কোন সন্ধান দিতে পারেনি। নিখোঁজ আনোয়ার হোসেন শিরোমণি কেডিএ মার্কেটের ইলেকট্রনিক্স, ঘড়ি, চশমা, চার্জার লাইট ক্যালকুলেটর এর ব্যবসায়ী।
নিখোঁজ আনোয়ার হোসেনের বড় ছেলে আবু সাঈদ বলেন, ১৫ এপ্রিল আব্বু, আম্মু এবং ছোট ভাইকে নিয়ে দুপুর ৩টার দিকে শিরোমণি ডাক্তারবাড়ী এলাকার বাসা থেকে খুলনার উদ্দেশ্যে বের হন। বিকেলে ৫টার দিকে আামার মা ও ছোট ভাইকে সিএনজিতে তুলে দিয়ে আব্বু খুলনার শঙ্খ মার্কেট থেকে দোকানের কিছু মালামাল ক্রয় করে একটি দোকানে রেখে বের হন। পরবর্তীতে রাত ৭টার দিকে ডাকবাংলো টপটেন শো-রুমের পর থেকে তাকে আর দেখা যায়নি (যেটা সিসি টিভির ফুটেজ দেখে বলে)। রাত ৯টার পরও বাসায় না ফেরায় আম্মু আব্বুর সাথে মোবাইলে কল করে তাকে আর ফোনে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে ১৫ এপ্রিল রাত থেকে খোঁজাখুঁজি করে এখনও পর্যন্ত আব্বুর কোন সন্ধান মেলেনি। এ ব্যাপারে খুলনা সদর থানার ওসি হাওলাদার সানোয়ার হুসাইন মাসুম বলেন, তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে তার বর্তমান অবস্থান বের করার চেষ্টা চলছে। আশাকরি খুব দ্রুত কিছু একটা রেজাল্ট পাবো।



