স্থানীয় সংবাদ

মানবজাতির কল্যাণ সাধনই জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য : এডভোকেট জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল

শ্রমজীবী অসহায় মানুষের মধ্যে ভ্যান ও সবজির ব্যবসা করার জন্য অর্থ বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার ঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী এমন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে যেখানে নারী, পুরুষ, জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে কোনো নাগরিক তার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না। যেখানে সবাই মিলেমিশে সামাজিক সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে হিংসামুক্ত সাম্যের সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, জামায়াত স্বনির্ভর, আত্ম-মর্যাদাশীল এবং ক্ষুধা ও বেকারত্বমুক্ত সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। দেশ ও জাতি গঠনে জামায়াতের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। মানবজাতির কল্যাণ সাধনই জামায়াতের রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নেই জামায়াত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অভাবী শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে কর্মসংস্থান সৃষ্টিমূলক বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা আপনাদেরকে আত্মনির্ভরশীল হতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছি। আমরা আশা করব আপনারা আমাদের দেয়া প্রতিটি জিনিসকে আমানত মনে করে এর সদ্ব্যবহার করবেন। এতে আপনারা যেমন স্বনির্ভরশীল হবেন, তেমনি দেশও স্বনির্ভরশীল হয়ে উঠবে। দেশে থাকবে না কোনো বেকারত্ব এবং সমাজের মানুষ সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) বিকেলে খুলনা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর সমাজ কল্যাণ বিভাগের উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে কর্মসংস্থান প্রকল্পের অংশ হিসেবে বেকার শ্রমজীবী অসহায় মানুষের মধ্যে ভ্যান ও সবজির ব্যবসা করার জন্য অর্থ বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
সমাজ কল্যাণ বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপক ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা শাহরুল ইসলাম, অফিস সেক্রেটারি মীম মিরাজ হোসাইন, সোনাডাঙ্গা থানা আমীর জিএম শহীদুল ইসলাম, মহানগরী যুববিভাগের সেক্রেটারি মোকাররম বিল্লাহ আনসারী। অন্যান্যের মধ্যে সোনাডাঙ্গা থানা সেক্রেটারি মাওলানা জাহিদুর রহমান নাঈম, ১৮নং ওয়ার্ড আমীর মশিউর রহমান রমজান প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এডভোকেট হেলাল আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি উজ্জ্বল অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দেশ। এদেশের মাটি, পানি ও বাতাস ফসল ফলানোর জন্য খুবই উপযোগী। তাই সর্বাধুনিক কৃষি প্রযুক্তি নির্ভর টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে আত্ম-মর্যাদাশীল এবং বেকারত্বমুক্ত সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব। কৃষি প্রযুক্তি নির্ভর বড় বড় প্রকল্প গ্রহণ করলে যেমন কর্মসংস্থান তৈরি হবে, তেমনি বাংলাদেশও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হবে। তাছাড়া আমাদের রয়েছে বিপুল জনসংখ্যা। এই বিপুল জনসংখ্যাকে দক্ষ ও যোগ্য করে গড়া সম্ভব হলে প্রতিটি হাত হয়ে উঠবে কর্মের হাতিয়ার। ফলে থাকবে না কোনো বেকারত্ব ও অভাব-অনটন। এ জন্য প্রয়োজন শুধু সদিচ্ছা ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button