স্থানীয় সংবাদ

কলারোয়া সীমান্তে ৭ লক্ষ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ

কলারোয়া প্রতিনিধি ঃ কলারোয়া সীমান্তে বিশেষ অভিযানে প্রায় ৭ লক্ষ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ করেছে বিজিবি।
রবিবার (১জুন) সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) এর অধিনস্থ কাকডাঙ্গা, মাদরা ও চান্দুরিয়া বিওপি এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ৭ লক্ষ টাকার ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার মালামাল আটক করে।
সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশরাফুল হক জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কাকডাঙ্গা বিওপির বিশেষ পৃথক চারটি আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার-১৩/৩ এস এর ৪,৫,৬ আরবি হতে ৩০০-৪০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন গাড়াখালী, ভাদিয়ালী, কেঁড়াগাছি নামক স্থান হতে ৫,৮৫,০০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষধ ও শাড়ি আটক করে। মাদরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার-১৩/৩ এস এর ১০ আরবি হতে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন শ্মশান ঘাট নামক স্থান হতে ৩৫,০০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষধ আটক করে। এছাড়াও, চান্দুরিয়া বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার ১৭/৭ এস এর ৬ আরবি হতে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন চান্দুরিয়া নামক স্থান হতে ৭০,০০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষধসহ সর্বমোট- ৬,৯০,০০০/- (ছয় লক্ষ নব্বই হাজার) টাকা মূল্যের বিভিন্ন চোরাচালানী মালামাল আটক করে।
তিনি আরো জানান, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।
বিজিবি টহলদল কর্তৃক উদ্ধারকৃত ভারতীয় মালামাল সাতক্ষীরা কাস্টমস এ জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।

চাঁদা না দেয়ায় কেশবপুর ঘের দখল চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি : চাঁদা না দেয়ায় কেশবপুরে মৎস্য ঘের জবর দখল ও ঘের পাড়ের ফলজ গাছ কর্তনের প্রতিবাদে কেশবপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী ঘের ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান। শুক্রবার সন্ধ্যায় কেশবপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উপজেলার বাগদাহ গ্রামের লুৎফর রহমান বলেন, লুৎফর রহমান নিজে ও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আলতাপোল গ্রামের কুতুব উদ্দীন বিশ্বাস যৌথভাবে লক্ষীনাথকাটি গ্রামের ১৫ বিঘা একটি ঘের লিজ নিয়ে মৎস্য চাষ করে আসছেন। একই গ্রামের সাইদুজ্জামান ও আসাদুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে লুৎফর রহমানের কাছে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছে। চাঁদার টাকা না দেয়ায় সাইদুজ্জামান ও আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে দেড় শতাধিক ব্যক্তি শুক্রবার বিকালে জোরপূর্বক দখল করে মাছ লুট ও ঘেরের পাড়ে রোপনকৃত বিভিন্ন প্রজাতি ফলজ গাছ কেটে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি করে। এসময় ঠেকাতে গেলে ঘেওে কর্মরত হাফিজুর রহমান ও শহিদুজ্জামানকে মারপিট করে আহত করে। তিনি চাঁদাবাজদের হাত থেকে বাঁচতে ও সুষ্ঠুভাবে ঘের ব্যবসা পরিচালনা করতে প্রশাসনের উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এসময় ঘের তার সাথে ঘের মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button