ডিএনএ টেস্টে ৫ শিশুর পরিচয় শনাক্ত : সিআইডি

প্রবাহ রিপোর্ট : রাজধানীর উত্তরা দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে নিহতদের মধ্যে পাঁচজন নারী শিশুর পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সিআইডির ফরেনসিক বিভাগের ডিএনএ ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিআইডির ফরেনসিক বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার সম্পা ইয়াসমিন। তিনি বলেন, ‘গত ২১ জুলাই দুর্ঘটনার পরদিন, ২২ জুলাই ঢাকা সিএমএইচ-এ রক্ষিত অজ্ঞাত মৃতদেহ ও দেহাংশ থেকে মোট ১১টি ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তী সময়ে এসব নমুনার ডিএনএ বিশ্লেষণ করে ৫ জন নারীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। এসপি সম্পা ইয়াসমিন বলেন, ‘২৩ জুলাই পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ৫টি পরিবারের ১১ জন সদস্যের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সেগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে নিচের পাঁচজনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। শনাক্ত পাঁচজনের পরিচয়:
১️। মো. ফারুক হোসেন ও সালমা আক্তার দম্পতির মেয়ে ওকিয়া ফেরদৌস নিধি।
২️। মো. বাবুল ও মাজেদা দম্পতির মেয়ে লামিয়া আক্তার সোনিয়া।
৩️। মো. আব্বাস উদ্দিন ও মোসা. মিনু আক্তার দম্পতির মেয়ে আফসানা আক্তার প্রিয়া।
৪️। মো. শাহাবুল শেখ ও মিসেস মিম দম্পতি মেয়ে রাইসা মনি।
৫️. বাবা আব্দুল কাদির ও মা উম্মে তামিমা আক্তার দম্পতির মেয়ে মারিয়াম উম্মে আফিয়া।
সিআইডি জানিয়েছে, বাকি অজ্ঞাত মৃতদেহ বা দেহাংশের পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার কাজ অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধার হওয়া মরদেহের অবস্থা এতটাই বিকৃত ছিল যে, কেবলমাত্র ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমেই সেগুলোর পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত সোমবার রাজধানীর উত্তরা দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাঙ্গণে বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে ভয়াবহ অগ্নিকা- ঘটে। এতে দেড় শতাধিক মানুষ হতাহত হন এবং এখন পর্যন্ত ৩১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। শনাক্ত করা নিহতদের সিংহভাগই শিক্ষার্থী।



