স্থানীয় সংবাদ

দু’ দিনেও আটক হয়নি প্রিজন সেল থেকে পলাতক আসামী

# সোনাডাঙ্গা থানায় পৃথক মামলা দায়ের #

স্টাফ রিপোর্টার ঃ ৫ আগষ্ট ছাত্র-জনতার গন-অভ্যুত্থানের পর সারাদেশের মত খুলনার আইন শৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। তবে দীর্ঘ ১ বছরেরও বেশি সময় অতিক্রম হলেও পুরোপুরি সক্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি পুলিশ। একের পর এক ঘটছে হত্যা, গোলাগুলি ও কোপাকুপির ঘটনা। হত্যাকা-সহ খুলনায় ঘটে যাওয়া আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশসহ আইন শৃঙ্খলাবাহিনী। আর ঠিক সেই সময়, খুলনা মেডিকেলে আসামীদের চিকিৎসার জন্য বিশেষ স্থান “প্রিজন সেল” থেকে পালিয়ে যায় ইউসুফ (২৩) নামে এক আসামী। গত ৭ আগষ্ট বৃহস্পতিবার খালিশপুর থানা পুলিশ ২০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করার পর বুকে ব্যাথা অনুভব করে ইউসুফ। চিকিৎসার জন্য প্রিজন সেলে আনা হলে কৌশলে পালিয়ে যায়। তবে দুদিন পার হলেও এখনো তাকে ধরতে পারেনি পুলিশ। আজ ৯ আগস্ট শনিবার রাত সাড়ে নয়টা পর‌্যন্ত তাকে গ্রেফতারের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে থানা সূত্রে জানা যায়, এ ঘটনায় সোনাডাঙ্গা থানায় একটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার ২ দিন অতিক্রম হলেও ,আসামী ধরা না পড়ায় শহরজুড়ে নানা বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।জানা যায়, গত ৭ই আগষ্ট বুকে ব্যাথার কারণে তাকে জরুরি বিভাগে দেখানো হলে চিকিৎসক তার রোগ শনাক্ত করতে পারেনি। আসামী ইউসুফের কথায়, তার রোগ সম্পর্কে স্পষ্ট বোঝা যায়নি। পরে চিকিৎসকের নির্দেশে তাকে মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে রাত সাড়ে ৯টায় প্রিজন সেলে রেখে চলে আসে পুলিশ। খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রিজন সেল থেকে পলাতক আসামীর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের হওয়ার কথা। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সোনাডাঙ্গা থানার ভেতরে। ফলে তারাই ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তবে, সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী পালিয়ে যাওয়া আসামী এখনো ধরা পড়েনি। প্রিজন সেলের শামীম রেজা বলেন, প্রিজন সেলে দুজন আসামি ছিল। তাদের মধ্যে একজন রাত সাড়ে ৩টায় শৌচাগারে যেতে চান। দায়িত্বরত কনস্টেবল প্রিজন সেলের দরজার তালা খুলে শৌচাগারে নিয়ে যান। কিন্তু ভুল করে দরজার তালাটি পুনরায় বন্ধ করতে ভুলে যান। বাইরের গেট খোলা থাকায় ইউসুফ পালিয়ে যান।
তিনি আরো বলেন, আসামিকে ধরার জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আমরা তাকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছি।
তবে, এ ঘটনায় সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় একটি পৃথক মামলা হয়েছে বলে জানান সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসিলাম। তিনি বলেন, মাদক মামলার আসামী ইউসুফ পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এখনো পর‌্যন্ত আসামী গ্রেফতার হয়নি। তবে চেষ্টা চলছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button