চুরির ২০ লক্ষ টাকার মালামাল উদ্ধার : গ্রেপ্তার ২

# ডুমুরিয়ায় দৌলতপুর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান #
# ১৬৪ ধারার জবানবন্দীতে আসামী হানিফের দায় স্বীকার #
স্টাফ রিপোর্টার : খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি)’র অর্ন্তভূক্ত দৌলতপুর দৌলতপুর থানা পুলিশ থানাধীন এলাকার সর্বস্তরের জনগনের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে কাজ করাসহ এলাকার সন্ত্রাস, অপসাম্প্রদায়িক বিরোধী কর্মকা-, চুরি-ছিনতাইসহ সকল প্রকার অপরাধ মূলক কর্মকান্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনে পুলিশি দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করার প্রচেষ্টা অব্যহত রেখেছে। ওই ধারাবাহিকতায় গত ৬ আগষ্ট দিনগত রাতে নগরীর দৌলতপুরস্থ খুলনা-যশোর মহাসড়ক সংলগ্ন সড়কের ‘লাইট হাউজ সাউন্ড’ নামের সাউন্ড সিস্টেম ডেকোরেটিং দোকান ঘরের মেইন সার্টারের কড়া কেটে অজ্ঞাতনামা চোরচক্র দোকানের ভেতরে ঢুকে সাউন্ড সিস্টেমের মামলার চুরি করে নিয়ে যায়। ওইদিন দোকানের মালিক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি চুরি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-৪)। মামলার তদন্তের দায়িত্ব গ্রহন করেন এবং তদন্ত শুরু করেন সংশ্লিষ্ট থানার এসআই মো. হাবিবুর রহমান। তদন্তে চুরির ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত থাকায় শনিবার দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে দৌলতপুর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মো. বদিউর রহমান, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. হাবিবুর রহমানসহ সঙ্গীয় ফোর্স প্রথমে দৌলতপুর থানাধীন দেয়ানা মধ্যপাড়া গোলদার রোড এলাকার বাসিন্দা মো. রফিক মোল্লার ছেলে মো. হানিফ মোল্লা (২১) গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত ওই আসামীর স্বীকারোক্তীর ভিক্তিতে রাতে খুলনার ডুমুরিয়া থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে অপর আসামী ডুমুরিয়া থানাধীন শাহ্পুর আন্দুলিয়া রোড কদমতলা রোড এলাকার বাসিন্দা মুজিবুর রহমান গাজী ছেলে সজিব আহমেদ ইমন (২৫) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের স্বীকারোক্তী এবং দেখানোর ভিত্তিতে ওই রাতেই ডুমুরিয়া থানাধীন দক্ষিন মিকশিমিল আমডাঙ্গা এলাকার জনৈক শারিরীক প্রতিবন্ধী তৈয়মুর রহমান বাদশা (আসামী সজিব আহমেদ ইমনের মামা) বাড়ি থেকে চোরাইকৃত ১৯ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা সমুদ্বয় মালামাল উদ্ধার করা পুলিশ। ওই ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। রবিবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের আলাদতে সোর্পদ করা হয়েছে। আসামী হানিফ সংশ্লিষ্ট দৌলতপুর আদালতে বিচারকের সম্মুখে ১৬৪ ধারার জবানবন্দীতে চুরির ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে, সার্বিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর আতাহার আলী।
এ ব্যাপারে চুরি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ হাবিবুর রহমান জানান, বাদীর এজাহারের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করি। তদন্তের এক পর্যায়ে তথ্য-প্রযুক্তিগত সহয়তার মাধ্যমে চুরির ঘটনায় সম্পৃক্ত দুই আসামী গ্রেপ্তার করে তাদের স্বীকারোক্তী ও দেখানোর ভিক্তিতে শনিবার (৯ আগষ্ট) রাতে খুলনার ডুমুরিয়া থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ডুমুরিয়া থানাধীন দক্ষিন মিকশিমিল আমডাঙ্গা এলাকার জনৈক শারিরীক প্রতিবন্ধী তৈয়মুর রহমান বাদশা (আসামী সজিব আহমেদ ইমনের মামা) বাড়ি থেকে চোরাইকৃত ১৯ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা সমুদ্বয় মালামাল উদ্ধার করি, রবিবার আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করি। আসামী হানিফ সংশ্লিষ্ট দৌলতপুর আদালতে বিচারকের সম্মুখে ১৬৪ ধারার জবানবন্দীতে চুরির ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেম
সার্বিক বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর আতাহার আলী জানান, মাত্র ৩ দিনের ব্যবধানে চুরি হওয়া ১৯ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার মালামালসহ আসামী গ্রেপ্তারের সুযোগ করে দিয়েছেন। শনিবার বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ওই ঘটনায় সম্পৃক্ত দুই আসামীকে পৃথক দুই জায়গা হতে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি খুলনা জেলার ডুমুরিয়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে চুরি হওয়া সব মালামাল উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। রবিবার দুপুরে আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের বিজ্ঞ আলাদতে সোর্পদ করা হয়েছে। আসামী হানিফ সংশ্লিষ্ট দৌলতপুর আদালতে বিচারকের সম্মুখে ১৬৪ ধারার জবানবন্দীতে চুরির ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে। একই সাথে থানাধীন এলাকায় সকল প্রকার অপরাধমূলক কর্মকা- বন্ধে ও মাদক নিয়ন্ত্রণে আমাদের বিশেষ ও নিয়মিত অভিযান চলমান আছে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।



