স্থানীয় সংবাদ

অনিয়ম-দুর্নীতির বরপুত্র মাহবুব অবশেষে স্ট্যান্ড রিলিজ

খুলনা জেলা পরিষদ

আজ নেত্রকোনায় যোগদান না করলে তাৎক্ষনিক অবমুক্ত
এর আগে বগুড়া ও চুয়াডাঙ্গায় বদলি করা হলেও যোগদান করেননি
ছিলেন আওয়ামী দোসর শেখ হারুণের অর্থের যোগানদাতা
গণঅভ্যুত্থানের পরও বিভিন্ন দলের নেতাদের তুষ্ট করে ছিলেন বহাল তবিয়তে

স্টাফ রিপোর্টার : খুলনা জেলা পরিষদ অনিয়ম-দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য গড়ে তোলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা এসএম মাহাবুবুর রহমানকে অবশেষে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। ১২ আগস্ট মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রলাণয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব খোন্দকার ফরহাদ আহমদ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে নেত্রকোনা জেলা পরিষদে বদলি করা হয়। আজ ১৩ আগস্টের মধ্যে বদলিকৃত স্থানে যোগদান না করলে তাৎক্ষনিক অবমুক্ত হবেন বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, এর আগে দুর্নীতিবাজ মাহবুবকে বগুড়া ও চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদে দুই দফায় বদলি করা হলেও তিনি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে যোগদান না করে দুবারই থেকে যান খুলনা জেলা পরিষদে।
সূত্র জানায়, হাসিনা-পরবর্তী আমলেও থামেনি মাহাবুবের অপকর্ম। অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়। দুর্নীতির শীর্ষে থাকা জেলা পরিষদ ৫ আগস্ট জনতার ক্ষোভের আগুনে পুড়ে ছাই হলেও ধ্বংসস্তূপে বসে বিএনপি-জামায়াত নেতাদের সঙ্গে সখ্য গড়ার চেষ্টায় মরিয়া হন মাহাবুব। অনেক ক্ষেত্রে সফলও হন এই চতুর ও দুর্নীতিবাজ।
সূত্র জানায়, খুলনা জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শেখ হারুনুর রশিদ। তিনিসহ দুর্নীতিবাজ আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের ছত্রছায়ায় মাহবুব হয়ে ওঠেন দুর্দান্ত প্রতাপশালী। পরিষদে গড়ে তোলেন অনিয়ম-দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য। দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা হয়েও নিয়েছেন প্রথম শ্রেণির সুযোগ-সুবিধা। মাহবুবের দাপটে অফিসের কর্মচারীরা সবসময়ই থাকেন তটস্থ ও বদলি আতঙ্কে। গণঅভ্যুত্থানের পর ৩০ লাখ টাকা চাঁদা চাওয়ার অভিযোগে তার নামে মামলাও হয়েছে।
পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশিদ ও আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের ছত্রছায়ায় হয়ে ওঠেন দোর্দ- প্রতাপশালী। পরিষদে গড়ে তোলেন অনিয়ম-দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য। অবৈধভাবে উপার্জন করেন কোটি কোটি টাকা। দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা হয়েও নিয়েছেন প্রথম শ্রেণির সুযোগ-সুবিধা। সেই ছিলেন জেলা পরিষদের অঘোষিত চেয়ারম্যান। পরিষদে তার কথাই শেষ কথা। তার দাপটে অফিসের কর্মচারীরা সব সময়ই থাকেন তটস্থ ও বদলি আতঙ্কে। ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পরও গণঅভ্যুত্থানের পরও বিভিন্ন দলের নেতাদের তুষ্ট করে ছিলেন বহাল তবিয়তে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হারুনুর রশীদ। বয়সে বৃদ্ধ হওয়ায় তিনি থাকতেন অনেকটা নিষ্ক্রিয়। এ সুযোগে প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান ছিলেন ছায়া চেয়ারম্যান। ভৌতিক প্রকল্প তৈরি ও দরপত্রবিহীন উন্নয়নকাজসহ পরিষদের সব ক্ষেত্রেই চলছে চরম নৈরাজ্য ও স্বেচ্ছাচারিতা।
স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের ম্যানেজ করে কোটি কোটি টাকা লোপাটই ছিল তার মূল লক্ষ্য। এসব অপকর্ম ঠেকাতে ঢাল হিসাবে অবৈধভাবে বের করেন দৈনিক একটি পত্রিকা। যার সম্পাদক ছিলেন তিনি নিজেই। কোনো সাংবাদিক তার অবৈধ কর্মকা- নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে তাকে নানাভাবে হয়রানি করতেন তিনি।
দুই দফা বদলি ঠেকিয়েছেন : খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এসএম মাহাবুবুর রহমানকে ২০১৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর বগুড়া জেলা পরিষদে বদলি করা হয়। কিন্তু তিনি বগুড়া জেলা পরিষদে যোগ না দিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে চাকরি করেন খুলনায়। এরপর তার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ২০২৩ সালের ১১ অক্টোবর চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদে আবারও বদলি করে। কিন্তু সেখানে যোগ না দিয়ে খুলনা জেলা পরিষদে বহাল তবিয়তে আছেন।
টাকা কামানোর জন্য নিতেন প্রকল্প : জেলা পরিষদ মালিকানাধীন খুলনা সদরে পরিত্যক্ত ডাকবাংলোর জমিতে ২০২১ সালে বঙ্গবন্ধু কর্নার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। দুই বছর পর সেখানে মার্কেট তৈরি করে প্রায় ৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নেন মাহবুব। ডুমুরিয়ার চুকনগর ডাকবাংলোর জমি থেকে ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করে সেখানে মার্কেট নির্মাণ করে। পরে সেই জমি ভুয়া ব্যক্তিদের নামে বরাদ্দ দিয়ে প্রায় ২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় মাহবুব। এছাড়া পাইকগাছার কপিলমুনির ডাকবাংলোর জমি, দাকোপের ডাকবাংলোর জমি ও রূপসায় ডাকবাংলোর জমি অন্তত ৩৫০ ব্যক্তিকে একসনা ইজারা দেওয়া হয়। এদের প্রত্যেকের কাছ থেকে প্রায় ৮ লাখ টাকা হারে আদায় করেন মাহবুব। শুধু এসব জায়গা থেকে প্রায় ত্রিশ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় মাহবুব। যা জেলা পরিষদের কোষাগারে জমা হয়নি। প্রতি অর্থবছরে সামাজিক প্রকল্পের আওতায় মসজিদ-মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজ, মন্দির-গির্জা, কবরস্থান-শ্মশান সংস্কার ও উন্নয়ন এবং গভীর নলকূপ স্থাপনে বরাদ্দের অর্ধেক টাকা জেলা পরিষদে ঘুস দিতে হতো। এ নিয়ম তৈরি হয় মাহবুব খুলনা জেলা পরিষদে যোগদানের পর।
চুকনগরের ব্যবসায়ী মাসুদ ইসলাম জানান, ‘ডাকবাংলোর জায়গায় তার চাচা শেখ কেরামত ও শেখ নুরুজ্জামানের নামে দুটি দোকানঘর ছিল। তাই নতুন মার্কেটে দোকানঘর পাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের অগ্রাধিকার ছিল। অথচ তারা দোকানঘরই পাননি। দুটি ঘরের জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান ৩০ লাখ টাকা চান। এত টাকা জোগাড় করতে না পারায় আমাদের বঞ্চিত করা হয়। পরে ওই দোকান দুটি ২৫ লাখ টাকার বিনিময়ে বরাদ্দ দেওয়া হয়।’
গড়েছেন সম্পদের পাহাড় : মাহবুবুর রহমান ক্ষমতার অপব্যবহার করে অফিস ভবনের পেছনে প্রকৌশলীদের ৩ তলা বাসভবনে সম্পূর্ণ একা বসবাস করেন। ফলে কমপক্ষে মাসিক ৫০ হাজার টাকা ভাড়া হিসাবে বছরে ২৪ লাখ টাকা রাজস্ব বঞ্চিত হয়েছে পরিষদ। এছাড়া সামাজিক প্রকল্প বিক্রি, ঘুস গ্রহণ, সংস্থার ডাকবাংলোর জায়গা ইজারার নামে মার্কেট নির্মাণ করে দোকান বিক্রি, খেয়াঘাট ইজারা, মেরামত প্রকল্প ও এক হাজার আসনের অডিটোরিয়াম প্রকল্পে লুটপাট করে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে উপার্জন করেছেন। এসব টাকায় ঢাকার কাঁঠাল বাগানে ২২০০ স্কয়ার ফিটের ফ্ল্যাট কিনেছেন। গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরায় পাঁচটি প্লট ও আলিশান বাড়ি। এছাড়া খুলনার মোহাম্মদনগরে ১০ কাঠা জমির ওপর ভবন নির্মাণ করছেন। পুরো জায়গায় সীমানা প্রাচীর দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে।
অনুমোদন ছাড়াই পরিষদ কর্তৃক পরিচালিত ‘দৈনিক খুলনা’ পত্রিকার ছাপাখানা ক্রয় ও আনুষঙ্গিক কাজে ৪৫ লাখ টাকা ব্যয় করেন।
অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী মিলন আহমেদ বলেন, মাহবুবুর রহমান অফিসে প্রচ- প্রভাব বিস্তার করতেন। শুধু খবর নেন তার দুবার বদলি কেন হলো। আমি এখন অবসর নিয়েছি। সে আমার যে কোনো কিছু করতে পারে। তার অপকর্ম ঠেকাতে ঢাল হিসেবে অবৈধভাবে বের করেন দৈনিক একটি পত্রিকা, যার সম্পাদক ছিলেন তিনি নিজেই। সরকারি চাকরি করে অবৈধভাবে জনগণের টাকায় পত্রিকা বানিয়ে সাংবাদিকদেরই উল্টো হুমকি দিতেন। কোনো সাংবাদিক তার অবৈধ কর্মকা- নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে তাকে নানাভাবে হয়রানি করতেন মাহবুব। এ ছাড়া সামাজিক প্রকল্প বিক্রি, ঘুষ গ্রহণ, সংস্থার ডাক বাংলোর জায়গা ইজারার নামে মার্কেট নির্মাণ করে দোকান বিক্রি, খেয়াঘাট ইজারা, মেরামত প্রকল্প ও এক হাজার আসনের অডিটোরিয়াম প্রকল্পে লুটপাট করে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে উপার্জন করেছেন। এসব টাকায় ঢাকার কাঁঠাল বাগানে ২২০০ স্কয়ার ফিটের ফ্ল্যাট কিনেছেন। গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরায় পাঁচটি প্লট ও আলিশান বাড়ি রয়েছে তার।
মাহাবুবুর রহমানের সাতক্ষীরার বাড়ির প্রতিবেশী ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সত্যরঞ্জন ম-ল বলেন, সাতক্ষীরায় আলিশান বাড়ি ও এর আশপাশে নামে-বেনামে অনেক সম্পত্তি রয়েছে মাহবুবের। বৈধ আয় দিয়ে একজন দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা কীভাবে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি করেন, অবাক লাগে। এ ছাড়া খুলনার মোহাম্মদনগরে ১০ কাঠা জমির ওপর ভবন নির্মাণ করছেন মাহবুব।
গতি পায়নি দুদকের তদন্ত : মাহাবুবের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ৩০ জুন দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার পরিচালককে পত্র দেওয়া হয়। কিন্তু পরিচালক অদৃশ্য শক্তির ইশারায় তদন্তকাজ শুরুই করেননি। এছাড়া ২০২২ সালের ১১ আগস্ট মাহাবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে খুলনার তৎকালীন বিভাগীয় কমিশনার একটি আবেদনপত্রের তদন্ত করেন। তদন্তে মন্ত্রণালয়ের অসম্মতি জ্ঞাপন করা পত্রে অ মুছে সম্মতি করে অর্থ আÍসাতের সত্যতা মেলে। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরে সব নিয়মকানুনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দুদক অফিসে জেলা পরিষদের অর্থে স্টোর রুমের ছাদ নির্মাণ, ভবনের সামনের রাস্তা ও সাইকেল গ্যারেজ নির্মাণ করে দেয় জেলা প্রশাসন।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, সরকারি সংস্থা গণপূর্তের মালিকানায় থাকা দুদকের এই ভবন সংস্কারের একমাত্র এখতিয়ারও তাদের। এ ছাড়া জেলা পরিষদ সিটি করপোরেশন এলাকায় কোনো উন্নয়ন কাজ করতে পারবে না। অথচ দুদকের হাত থেকে বাঁচতে ভবনের কাজ করে দেওয়া হয় পরিষদের পক্ষে।
খুলনা জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, আমরা গণপূর্তের ভবনে ভাড়া থাকি। এই ভবনের সংস্কারসহ সবকিছুর দায়িত্ব গণপূর্তের। তবে ২০২২ সালের ১১ আগস্ট মাহাবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে খুলনার তৎকালীন বিভাগীয় কমিশনার একটি আবেদনপত্রের তদন্ত করেন। তদন্তে অর্থ আত্মসাতের সত্যতা মেলে, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
সাংবাদিক নির্যাতন : দুর্নীতির তথ্য নিতে গেলে যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি রাশেদ নিজাম ও ক্যামেরাপারসন নির্মল চন্দ্রের ওপর হামলা করেন মাহবুব। ওই ঘটনায় খুলনা জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি করা হয়। কমিটি দুই সদস্যের। সেখানে আহ্বায়ক করা হয় জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী আলেয়া খাতুনকে আর সদস্য উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাসুদ আজিজুর রহমান। একটি অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহের সময় খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমান ও তার দুই সহযোগী যমুনার দুই সংবাদ কর্মীর ওপর চড়াও হন। গত বছরের ৮ জুলাই দুপুর ১২টার দিকে খুলনার কে ডি ঘোষ রোডে ওই কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে জেলা পরিষদের ওই সময়কার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজা রশীদের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন যমুনার বিশেষ প্রতিনিধি রাশেদ। এছাড়া খুলনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরিও করা হয়। কিন্তু তার বিরুদ্ধে নেয়া হয়নি কোন ব্যবস্থা।
হামলার বিষয়ে সাংবাদিক রাশেদ নিজাম জানান, খুলনার চুকনগরে জেলা পরিষদের একটি মার্কেট নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পান তিনি। যার একটি বড় অংশের সাথে এস এম মাহবুবুর রহমানের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। তা অনুসন্ধানের জন্য ক্যামেরাপারসনসহ ওই কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান।
রাশেদ নিজাম আরও জানান, মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি মারমুখী হয়ে ওঠেন। এক পর্যায়ে ধাক্কা দিয়ে ওই কক্ষ থেকে বের করে দেয়া হয়। হত্যার হুমকির পাশাপাশি ক্যামেরার মেমোরি কার্ড কেড়ে নেয়ারও চেষ্টা করেন অভিযুক্তরা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button