স্থানীয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদবিরোধী সব দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রয়োজন-মঞ্জু

# বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা বিএনপির সমাবেশ-মিছিল ও আলোচনা সভা #

স্টাফ রিপোর্টার ঃ নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৪৭ বছর পাড়ি দিল বিএনপি। প্রতিষ্ঠার পর থেকে চারবার রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলেও বাকি সময় নানা সংকট মোকাবিলা করেছে দলটি। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সুসময়েও এখন ভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখে দল। ফ্যাসিবাদবিরোধী সব দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রয়োজন। দীর্ঘ ১৮ বছর হামলা-মামলা, গুম-খুন-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বহু নেতাকর্মী-সমর্থক। দল ভাঙারও চেষ্টা হয়েছে একাধিকবার। নেতাকর্মীদের দৃঢ় মনোবল এবং নেতৃত্বের প্রতি আস্থা থাকায় কোনো কিছুই সফল হয়নি। ফের ঘুরে দাঁড়িয়েছে। গণতন্ত্রের স্বার্থে নির্বাচনসহ সার্বিক বিষয়ে দেশি-বিদেশিদের আস্থা অর্জনে সক্ষম বিএনপি। আগামী নির্বাচনে জনগণের ভোটে বিপুল সমর্থন নিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে প্রত্যাশা জনগনের। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩টায় বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা বিএনপি তিনদিনের কর্মসূচির প্রথম দিনে সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপি অফিসের সামনে সমাবেশ ও মিছিল, দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানসহ সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া, আলোচনা সভার সভাপতিত্বকালে এসব কথা বলেন, খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি আরও বলেন, ১৯৭৮ সালের এই দিনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান শহীদ হওয়ার পর তার স্ত্রী খালেদা জিয়া রাজনীতিতে এসে দলটির হাল ধরেন। পরিচিতি পান আপসহীন নেত্রী হিসাবে। তার নেতৃত্বে তিনবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন হয় বিএনপি। দীর্ঘ ১৫ বছর বিএনপি কর্তৃত্ববাদী আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে। হাজার হাজার নেতাকর্মী গুম-খুন হয়েছেন। এমনকি লাখ লাখ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে অত্যাচার-নির্যাতন করা হয়েছে। অবশেষে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরশাসকের পতন ঘটেছে। জনগণের অধিকার আদায়ে তাদের দুঃখ-কষ্ট লাঘব করাসহ দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের ধারা আবারও পুনঃপ্রতিষ্ঠা করাই এখন বিএনপির মূল লক্ষ্য। আইনের শাসন, স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ, সংবাদপত্র ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পারলেই জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। সর্বশেষ আওয়ামী লীগের সাড়ে ১৫ বছর শাসনামলেও নানাভাবে বিএনপিকে ভাঙার চেষ্টা করেও সফল হয়নি। এভাবে নানা সংকট ও ভাঙা-গড়ার মধ্যে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে এখন জনগণের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় দল হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে বিএনপি। জাতীয়তাবাদী শক্তিকে জনগনের দোড়গড়ায় পৌছে দিতে সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে। সমাবেশ শেষে বর্নাঢ্য র‌্যালী নগরীর তেঁতুলতলা মোড় থেকে ময়লাপোতা, সাতরাস্তা মোড় হয়ে রয়েল মোড়ে গিয়ে শেষ হয় এবং সন্ধ্যায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
সভার শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত করেন আলহাজ¦ মীর মোহাম্মদ বাবু। অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু ও আসাদুজ্জামান মুরাদ এর পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, শাহারুজ্জামান মোর্তুজা, সেকেন্দার জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, এড. ফজলে হালিম লিটন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, নিজাম উর রহমান লালু, ইউসুফ হারুন মজনু, সরদার রবিউল ইসলাম রবি, ইকবাল হোসেন, নুরুল ইসলাম লিটন, শামীম খান ও শরিফুল ইসলাম বাবু। এসকল কর্মসূচিতে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠণের হাজার হাজার নেতাকর্মি অংশগহণ করেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, ইকবাল হোসেন খোকন, মেহেদী হাসান দিপু, মহিবুজ্জামান কচি, এড. গোলাম মওলা, আনোয়ার হোসেন, গিয়াস উদ্দিন বনি, সাদিকুর রহমান সবুজ, মজিবর রহমান ফয়েজ, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, কাজী শফিকুল ইসলাম শফি, রফিকুল ইসলাম শুকুর, শামসুজ্জামান চঞ্চল, কামরান হাচান, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, ইশহাক তালুকদার, এইচএম আবু সালেক, তরিকুল্লাহ খান, হাসান মেহেদী রিজভী, আকরাম হোসেন খোকন, এড. মুজিবর রহমান, মেজবাহ উদ্দিন মিজু, রবিউল ইসলাম রবি, মহিউদ্দিন টারজান, আব্দুল জব্বার, আশরাফ হোসেন, মেহেদী হাসান সোহাগ, ওমর ফারুক, বাচ্চু মীর, জাহিদ কামাল টিটো, শামসুর রহমান, আনিসুর রহমান আরজু, আব্দুল মতিন, রিয়াজুর রহমান, আসলাম হোসেন, নাসির খান, আব্দুল জলিল হাওলাদার, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, আব্দুল হাকিম, মনিরুজ্জামান মনির, মনিরুল ইসলাম, খান শহিদুল ইসলাম, আল বেলাল, খান মঈনুল ইসলাম মিঠু, নূরে আব্দুল্লাহ, হুমায়ুন কবির, জাকারিয়া লিটন, মনিরুল ইসলাম মাসুম, লিটু পাটোয়ারী, আলমগীর হোসেন আলম, কাজী ফজলুল কবির টিটো, হেদায়েদ হোসেন হেদু, আব্দুর রহমান খোকন, এড. আবুল হোসেন, মাসুদ খান বাদল, ইফতেখার জামান নবীন, মোহাম্মদ আলী, শামীম আশরাফ, ওহেদুজ্জামান খোকন, ওমর ফারুক বনি, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, সুলতান মাহমুদ সুমন, শরিফুল ইসলাম সাগর, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, মোস্তফা জামান মিন্টু, মোল্যা সোলাইমান, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, শামসুল আলম বাদল, মাজেদা খাতুন, আলম হাওলাদার, ফিরোজ আহমেদ, শাকিল আহমেদ, মুশফিকুর রহমান অভি, রাজিবুল আলম বাপ্পি, সাখাওয়াত হোসেন, এড. রফিকুল ইসলাম, নাদের খান, সৈয়দ গাজী, তরিকুল আলম, রবিউল ইসলাম বিপ্লব, জামাল মোড়ল, আবু তালেব, সেলিম বড় মিয়া, মাহমুদ হাসান মুন্না, কামরুল আলম খোকন, মোল্যা আলী, মাসুদ রেজা, শামীম রেজা, আসাদ সানা, ইউনুচ শেখ, সালাউদ্দিন সান্নু, পারভেজ মোড়ল, এমরান হোসেন, কবির বিশ্বাস, মুজিবর রহমান, জুয়েল রহমান, জামাল উদ্দিন, শহিদুল ইসলাম, সমীর কুমার সাহা, ওসমান গনি, ফজলুর রহমান, সজল আকন নাসিব, এ আর রহমান, আব্দুর রহিম, মাসুদ রুমী, এস এম সজল, খন্দকার সোহেল প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button