স্থানীয় সংবাদ

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমরা বদ্ধ পরিকর- মঞ্জু

বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা বিএনপির প্রীতি ফুটবল ম্যাচ

খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে গেলেও ষড়যন্ত্র ছাড়েনি, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব¡ রক্ষায় আমরা বদ্ধ পরিকর। শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করব, এখানে কোনো আপস নেই। আমরা কোনো মব সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করি না। বিএনপি কোথাও কোনো মব সংস্কৃতি তৈরিও করেনি এবং বিএনপি উশৃংখল জনতাতন্ত্রে বিশ্বাসী নয়। যিনি দেশে বহু দলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্তে শহীদ হয়েছেন, সেই জিয়াউর রহমানের আদর্শই জাতীয়তাবাদীর শক্তির অনুপ্রেরণা। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা বিএনপির তিনদিনের কর্মসূচির শেষ দিনে সোনাডাঙ্গা থানাধিন পল্লীমঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্মৃতি প্রীতি ফুটবল ম্যাচের উদ্বোধক ও প্রধান অথিতির বক্তব্য এসব কথা বলেন, খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন বিলম্বিত কিংবা বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে নেতাকর্মীদের সজাগ থাকতে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারন সম্পাদক সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, সেকেন্দার জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, এড. ফজলে হালিম লিটন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, আরিফুজ্জামান অপু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ ও ইকবাল হোসেন খোকন। বেলুন, ফেস্টুন ও শান্তির প্রতীক কবুতর উড়িয়ে প্রীতি ফুটবল ম্যাচের উদ্বোধন করা হয়। খেলায় অংশগ্রহণ করে লাল দল ও সবুজ দল। নির্ধারীত সময়ে খেলাটি ১-১ গোলে অমিমাংসীত ভাবে শেষ হয়। পরে টাইব্রেকারে সবুজ দল ৫-৪ গোলে লাল দলকে পরাজিত করে। প্রথমার্ধে লাল দলের সোহেল গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যায়। বিরতীর পর খেলায় সমতা আনে সবুজ দলের জামাল। লাল দলের টিম ম্যানেজার ছিলেন মজিবর রহমান ফয়েজ এবং সবুজ দলের ম্যানেজার ছিলেন সরদার রবিউল ইসলাম রবি। খেলায় বাংলাদেশ জাতীয় দলের, ঢাকার বিভিন্ন ক্লাবের এবং খুলনার কৃতি খেলোয়াড়রা অংশগ্রহণ করেন। খেলায় রেফারী ছিলেন কামাল আহমেদ, নাজমুল ইসলাম ও মাহবুব মোড়ল। খেলায় ধারাভাষ্যকার ছিলেন এডভোকেট প্রজেশ রায়। খেলা উপভোগ করেন খুলনা জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক মো. ইউসুফ আলী ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের প্রশিক্ষক খুলনার কৃতি ফুটবলার আব্দুর রাজ্জাক। মাঠে উপস্থিত ছিলেন মেহেদী হাসান দিপু, নিজাম উর রহমান লালু, এড. গোলাম মওলা, আনোয়ার হোসেন, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, ইউসুফ হারুন মজনু, কাজী শফিকুল ইসলাম শফি, রফিকুল ইসলাম শুকুর, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, ইশহাক তালুকদার, কাজী মাহবুবুল হক, মেজবাহ উদ্দিন মিজু, জাহিদ কামাল টিটো, আব্দুল জব্বার, মহিউদ্দিন টারজান, খায়রুল ইসলাম লাল, ওমর ফারুক, মেহেদী হাসান সোহাগ, বাচ্চু মীর, মোল্যা মুজিবর রহমান, রিয়াজুর রহমান, আসলাম হোসেন, আব্দুল জলিল, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, জাকারিয়া লিটন, শামীম খান, মোহাম্মদ আলী, হুমায়ুন কবির, আলম হাওলাদার, হেদায়েত হোসেন হেদু, মনিরুল ইসলাম মাসুম, নূরে আব্দুল্লাহ, মাসুদ খান বাদল, লিটু পাটোয়ারী, মোল্যা ফিরোজ আহমেদ, মাজেদা খাতুন, নাহিদ মোড়ল, নুরুল ইসলাম লিটন, সাখাওয়াত হোসেন, শাকিল আহমেদ,র মোস্তফা জামান মিন্টু, ওহেদুজ্জামান, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, মিজানুর রহমান মিজান, আবু তালেব, শামীম আশরাফ, মোল্যা আলী আহমেদ, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, ফিরোজ আহমেদ, শহিদুল ইসলাম লিটন, মুশফিকুর রহমান অভি, শামসুল আলম বাদল, রাজিবুল আলম বাপ্পি, মাসুদ রেজা, জামাল মোড়ল, আসাদ সানা, ইউনুচ শেখ, তরিকুল আলম, আসমত হোসেন, সেলিম বড় মিয়া, কামরুল আলম খোকন, এ আর রহমান, সজল আকন নাসিব, সিরাজুল ইসলাম বাবুল, টিপু হাওলাদার, খায়রুল বাসার, ফজলুল রহমান, সমীর কুমার সাহা, জামান চৌধুরী, শামীম রেজা, সালাউদ্দিন সান্নু, আবুল বাসার, সাজ্জাদ আলী, আশিকুর রহমান সেলিম, আবু মাস্টার, আল মামুন, মাসুদ পারভেজ, এস এম সজল, আব্দুল করিম, শেখ আসলাম, জুয়েল রহমান, সিদ্দিক মাতবর, সাহেব আলী প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button